=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

গ্রামের ছেলে বলে শুনেছেন প্রচুর বিদ্রুপ, UPSC ক্র্যাক করে IAS হলেন বাইক মিস্ত্রীর ছেলে

অনন্যা সরকার, বিহার: গ্রাম থেকে উঠে আসা অতি সাধারণ ছাত্র কি ইউপিএসসির (UPSC) মতো কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে? এই প্রশ্নটি প্রিন্স কুমারের সামনেও উঠেছিল, যখন আশেপাশের লোকেরা তাঁকে বিদ্রূপ করে বলত, ‘গ্রামে পড়াশোনা করে তুমি কালেক্টর হতে পারবে না।’ কিন্তু প্রিন্স তাঁর ব্যর্থতাকেই সাফল্যের সোপানে পরিণত করেছিলেন (UPSC Success Story of IAS Prince Kumar)। ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি (NDA)-র পথ ছেড়ে তিনি ইউপিএসসির জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন এবং দু’বার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। প্রথমে তিনি আইপিএস (IPS) হন এবং পরে আরও ভালো র‍্যাঙ্ক অর্জন করে আইএএস হয়ে সমস্ত বিদ্রূপকারীদের যোগ্য জবাব দেন। আজ তাঁর সাফল্যের কাহিনীটি সেইসব তরুণ-তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে, যারা গ্রাম বা ছোট শহর থেকে এসে নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করতে চান। 

প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা প্রিন্সের UPSC জয় 

প্রিন্স কুমার বিহারের শেওহর জেলার একটি ছোট গ্রামে বড় হয়ে উঠেছেন। তাঁর বাবা একজন মোটরসাইকেল মেকানিক ছিলেন, যার ফলে সংসারে অভাব অনটন ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। তিনি একটি সরকারি স্কুল থেকে তাঁর স্কুলশিক্ষা সম্পন্ন করেন। গ্রামের পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে তিনি ইংরেজি ভাষায় একেবারেই দক্ষ ছিলেন না। তাছাড়া, ছাত্র হিসেবেও ছিলেন গড়পড়তা। তবে, তাঁর মনে বড় কিছু অর্জন করার দৃঢ় সংকল্প সবসময়ই ছিল।

প্রিন্স প্রথমে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ইংরেজি বলতে না পারার কারণে ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি (এনডিএ)-তে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন তাঁকে ত্যাগ করতে হয়। পরে, তিনি ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায়  অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য দিল্লিতে চলে যান। দিল্লির পরিবেশ তাঁর কাছে একেবারেই নতুন ছিল এবং সীমিত সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও তিনি কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান। দিনের একটা বড় অংশ পড়াশোনা করার জন্য বরাদ্দ করেন এবং ভাষাকেই তাঁর শক্তিতে পরিণত করেন। 

আরও পড়ুন: যে কলেজের সাফাইকর্মী মা, সেখান থেকেই পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে নজির গড়লেন মেয়ে

প্রিন্স কুমারের ইউপিএসসি যাত্রা অবশ্য সহজ ছিল না। তিনি প্রথম দুই চেষ্টায় ব্যর্থ হন এবং বিদ্রূপের শিকার হন। লোকেরা তাঁকে বিদ্রুপ করে বলতো “গ্রামের ছেলে হয়ে কালেক্টর হওয়ার স্বপ্ন দেখা উচিত নয়।” তবে, প্রিন্স হার মানেননি। তিনি  ইউপিএসসি পরীক্ষার ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে মৈথিলী সাহিত্য বেছে নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। এইবার, তিনি দু’বার পরীক্ষা দেওয়ার পর যে দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করেছিলেন, সেগুলোর ওপর কাজ করতে থাকেন। 

অবশেষে প্রিন্স তাঁর তৃতীয় প্রচেষ্টায় ইউপিএসসি-তে সফল হন এবং ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (IPS)-এর জন্য নির্বাচিত হন। কিন্তু তাঁর লক্ষ্য ছিল ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (IAS)। তাই তিনি আবার প্রস্তুতি শুরু করেন। চতুর্থ প্রচেষ্টায় প্রিন্স ইউপিএসসি-তে সর্বভারতীয় র‍্যাঙ্ক (AIR) ৮৯ অর্জন করে নেন। এই র‍্যাঙ্কটি সহজেই তাঁর আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করে। ইউপিএসসি-এর মতো কঠিন পরীক্ষায় প্রিন্সের এই ফলাফল তাদের যোগ্য জবাব দিয়েছে, যারা গ্রাম থেকে আসার কারণে তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। আজ তিনি দেশের সেই সমস্ত ছাত্রছাত্রীর কাছে অনুপ্রেরণা, যারা কঠিন পরিস্থিতি সত্ত্বেও সাফল্যের জন্য লড়াই করে চলেছেন।

Leave a Comment