সহেলি মিত্র, কলকাতা: এবারের পুজোয় আর ভিড় ঠেলে ঠাকুর দেখতে ইচ্ছে করছে না? মনটা পাহাড় পাহাড় করছে? তাহলে আজ আপনাদের এমন এক জায়গার সন্ধান দেব যেখানে গেলে আপনার মন খুশিতে নেচে উঠবে। বাঙালির কাছে পাহাড় মানেই দার্জিলিং, আর।দার্জিলিং মানেই কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্য, পাহাড়ি রাস্তা, ঠান্ডা আবহাওয়া আর চায়ের সুবাস। তবে দার্জিলিংয়ের পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রগুলির বাইরে এমন অনেক অচেনা জায়গা রয়েছে, যেখানে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় অনেক বেশি শান্তিতে। তেমনই এক মনোরম অফবিট গন্তব্য হল ‘পোখরিয়াবং’ (Pokhriabong)।
পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসুন ‘পোখরিয়াবং’
এই পোখরিয়াবং-এর চারদিকে ঢেউ খেলানো সবুজ চা বাগান, পাহাড়ের গায়ে ভেসে বেড়ানো মেঘ আর নিস্তব্ধ পরিবেশ—সব মিলিয়ে এই পাহাড়ি জনপদ প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এক বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। পোখরিয়াবংয়ের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এখানকার বিস্তীর্ণ চা বাগান। পাহাড়ের ঢালে সারি সারি চা গাছ, আঁকাবাঁকা মেঠো পথ আর চারপাশের সবুজ প্রকৃতি পর্যটকদের মুগ্ধ করে। শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে কয়েকটা দিন কাটাতে চাইলে চা বাগানের আশপাশে হাঁটাহাঁটি কিংবা নিরিবিলি পরিবেশে বসে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।
পোখরিয়াবংয়ের পরিবেশের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর শান্ত, নিরিবিলি আবহ। কখনও পাহাড়ের ঢালে মেঘের আনাগোনা, কখনও সবুজ বনভূমির মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া ঠান্ডা বাতাস—প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর জন্য এই জায়গা বেশ আকর্ষণীয়। এখানে বেড়াতে গেলে শুধু একের পর এক দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখাই নয়, বরং বারান্দায় বসে মেঘের ভেসে যাওয়া দেখা, পাহাড়ি পরিবেশে বই পড়া কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে গল্প করতে করতেও ছুটির আনন্দ উপভোগ করা যায়। যাঁরা ভিড় এড়িয়ে শান্ত পাহাড়ি পরিবেশে সময় কাটাতে চান, তাঁদের জন্য পোখরিয়াবং হতে পারে একটি সুন্দর বিকল্প।
কীভাবে যাবেন?
পোখরিয়াবং দার্জিলিং পাহাড়ের একটি অফবিট গন্তব্য। ট্রেনে করে শিলিগুড়ি কিংবা এনজেপি নেমে আপনি একটি প্রাইভেট গাড়ি বুক করে পৌঁছে যেতে পারেন পোখরিয়াবং।