=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

প্রেমের সম্পর্কে আপত্তি, যুবক ও তাঁর বাবাকে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর অভিযোগ বেহালায়, গ্রেফতার ৩

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দক্ষিণ কলকাতার (Kolkata) বেহালার (Behala) সরশুনা এলাকায় এক যুবক, তাঁর বাবা ও এক বন্ধুকে মারধর করে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছে তরুণীর পরিবারের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বসুন্ধরা পার্ক এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে।

ঠিক কী ঘটেছিল দুই পরিবারের মধ্যে?

ঘটনাটি ঘটে গত রবিবার, ২৫ অক্টোবর। পুলিশ ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরশুনা থানা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে স্থানীয় এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্ক মেনে নিতে রাজি ছিলেন না তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। রবিবার ওই যুগলকে একসঙ্গে দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন তাঁদের আটক করেন বলে অভিযোগ। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, যুবক ও তাঁর এক বন্ধুকে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে যুবকের বাবাকেও ফোন করে সেখানে ডেকে পাঠানো হয়। ছেলেকে বাঁচাতে এসে তিনিও হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ। এরপর যুবক, তাঁর বাবা ও বন্ধুকে বিবস্ত্র করে এলাকার রাস্তায় ঘোরানো হয় বলে দাবি উঠেছে।

অভিযোগ, যুবকের বাবার হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে নিজের ছেলেকে গুলি করতে বলা হয়েছিল। তা না হলে তাঁকে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তায় ঘোরানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও জানা গিয়েছে। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ তরুণীর বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন বলেও জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে সরশুনা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের আসার আগে পরিবারের কয়েকজন সদস্য সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে খবর। পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিকের বক্তব্য, এই ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তরুণীর বাবা ও মামা রয়েছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন নির্যাতিত যুবক

ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অত্যাচারিত ওই যুবক। সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি যাতে প্রকাশ্যে না আসে, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, অভিযুক্ত পরিবারের প্রভাব সম্পর্কে ধারণা থাকলেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা তিনি কল্পনাও করেননি। যুবকের কথায়, “পুলিশ এই ঘটনাটা পুরোপুরি চেপে দিতে চাইছে। কোনওভাবে লোক জানাজানি হতে দিতে চাইছে না। আমি জানতাম ওদের অনেক ক্ষমতা রয়েছে, তবে এভাবে হেনস্তা হতে হবে ভাবতে পারিনি। আমি এই ব্যাপারে কিছু জানতাম না। কিন্তু কালকে ঘটনাটা যখন ঘটল, তখন পাড়ার লোকেরা বলছিল, এটা নাকি তৃণমূলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তৃণমূলের আমলে এরা পাড়ায় দাদাগিরি দেখাত। ওই জন্যই এত সাহস পেয়েছে।”

আরও পড়ুন: হয়ে যাবে একটা ফ্ল্যাট! সিজেপির নেতা সৌরভ দাসের বাড়ি ভাড়া কত জানলে চমকে যাবেন

প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি থাকলেও কাউকে মারধর, হুমকি দেওয়া কিংবা প্রকাশ্যে অপমান করার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। বেহালার এই মর্মান্তিক ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছে অত্যাচারিত যুবক ও তাঁর পরিবার এবং এলাকার বাসিন্দারা।

Leave a Comment