=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বাংলাদেশে পড়তে গিয়ে আব্দুলের সাথে প্রেম, বিয়ের পর নির্যাতিত! থানায় বারাসতের অমৃতা

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: পড়াশোনা করতে গিয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই প্রেমই তাঁর জীবনে হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় অভিশাপ। বাংলাদেশে (Bangladesh) এমবিবিএস (MBBS) পড়তে গিয়ে এক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে পরিচয়, তারপর প্রেম ও বিয়ে। কিন্তু বর্তমানে সেই স্বামীর বিরুদ্ধেই শারীরিক নির্যাতন, বাড়িতে ভাঙচুর এবং দুই সন্তানকে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন বারাসতের (Barasat) বাসিন্দা অমৃতা দত্ত চৌধুরী। স্বামীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে বারাসত থানার দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, দুই সন্তানকে নিয়ে শান্তিতে বাঁচতে চান এবং যত দ্রুত সম্ভব স্বামীর থেকে আলাদা হতে চান।

বাংলাদেশি স্বামীর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ বারাসাতের যুবতীর?

অমৃতার অভিযোগ, ২০১৯ সালে এমবিবিএস পড়ার জন্য বাংলাদেশে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে ফেসবুকের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাসিন্দা আব্দুল ওয়াকিলের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়। এরপর নানা রকম ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে ওই যুবক তাঁকে বিয়ে করেন বলে অভিযোগ। বিয়ের পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন অমৃতা। এরপর দেশে ফিরে আসেন তিনি। ২০২৩ সালে বারাসাত হাসপাতালে তাঁর পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। অমৃতার দাবি, ছেলেকে দেখার অজুহাতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে তাঁদের বাড়িতে থাকতে শুরু করেন তাঁর স্বামী।

অমৃতার বক্তব্য, প্রথম কয়েক মাস স্বামী ভালো মানুষের মতো আচরণ করলেও পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি বদলে যায়। পরের বছর তাঁদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। অভিযোগ, এরপর থেকেই তাঁর উপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন শুরু করেন আব্দুল ওয়াকিল। বারবার দুই সন্তানকে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। অমৃতার দাবি, সন্তানদের বাংলাদেশে নিয়ে গিয়ে নিজের ধর্ম অনুযায়ী বড় করতে চান তাঁর স্বামী। কিন্তু এই প্রস্তাবে আপত্তি জানালেই শুরু হয় অশান্তি। প্রতিবাদ করলেই মারধর করা হয় এবং বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতিতে গোটা পরিবার আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ‘ভারতের সব মুসলিম এক হয়ে মোদি সরকারকে সরাও!’ বাংলাদেশ থেকে বড় আহ্বান

অমৃতা জানিয়েছেন, এর আগেও তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পুলিশ বারবার দু’জনকে মিলেমিশে থাকার পরামর্শ দিচ্ছে এবং ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাতে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার পরিবর্তে দিন দিন আরও অবনতি হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। সেই কারণেই ফের বারাসাত থানায় এসে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। অমৃতার আবেদন, তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ যেন উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যত দ্রুত সম্ভব স্বামীর থেকে আলাদা হয়ে দুই সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে চান তিনি। পাশাপাশি, নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী সন্তানদের বড় করতে চান বলেও জানিয়েছেন অমৃতা। কোনওভাবেই সন্তানদের বাংলাদেশে পাঠাতে রাজি নন তিনি।

আরও পড়ুন: নভেম্বরের আগে এই তিনটি কাজ না করলেই বন্ধ হবে অন্নপূর্ণা যোজনা

এদিকে, ঘটনাটি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই অমৃতাকে ঘিরে শুরু হয়েছে নানা ধরনের মন্তব্য। সমাজমাধ্যমের একাংশের দাবি, বাংলাদেশে গিয়ে এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোই তাঁর ভুল ছিল। কারও কারও বক্তব্য, বিয়ে করে দুই সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর এখন এই ধরনের অভিযোগ তোলার কোনও অর্থ নেই। আবার কেউ কেউ আন্তঃধর্মীয় বিয়ের প্রসঙ্গ তুলে অমৃতার সিদ্ধান্তকেই দায়ী করছেন। এমনকী, মুসলিম যুবককে বিয়ে করে নিজের ধর্মের অবমাননা করেছেন বলেও মন্তব্য করছেন অনেকে।

Leave a Comment