=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকছে অন্যের অ্যাকাউন্টে, আধার বিভ্রাটে বঞ্চিত ঘাটালের মহিলা

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা পাওয়ার কথা একজনের, অথচ সেই টাকা জমা পড়ছে অন্য এক মহিলার অ্যাকাউন্টে! এমনই অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Midnapore) ঘাটালে (Ghatal)। সরকারি আর্থিক সহায়তা পাওয়ার আশায় মাসের পর মাস বিভিন্ন দফতরে ঘুরেও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে দাবি করেছেন ঘাটাল পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছায়া সনকার। স্বামীকে হারানোর পর আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাঁর। এই পরিস্থিতিতে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন তিনি।

কী অভিযোগ ছায়া দেবীর?

ছায়া সনকারের অভিযোগ, পুরসভায় বারবার খোঁজ নিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তাঁর আধার নম্বরের সঙ্গে অন্য এক উপভোক্তার অন্নপূর্ণা যোজনা সংক্রান্ত তথ্য যুক্ত হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য তাঁর নাম নথিভুক্ত করা যাচ্ছে না বলে তাঁকে জানানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, আধার সংক্রান্ত এই বিভ্রাটের জেরেই নিজের প্রাপ্য আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন না তিনি। বিষয়টি সংশোধনের আশায় পুরসভা থেকে মহকুমা শাসকের দফতর পর্যন্ত একাধিক জায়গায় যোগাযোগ করেছেন ছায়া দেবী।

পুরসভার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দাসপুর-২ ব্লকের কোলাগেছিয়া গ্রামের বাসিন্দা তুতুন পাল ছায়া সনকারের আধার নম্বরের সঙ্গে যুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে তুতুন পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কীভাবে এই বিভ্রাট ঘটেছে, তা তাঁর জানা নেই। তবে বিষয়টি জানতে পেরে আধার সংক্রান্ত তথ্য সংশোধনের আবেদন জানিয়ে দাসপুর-২ ব্লকের বিডিও দফতরে লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: “৭৫ বছর বয়সে আর না দাঁড়ানোই ভালো” নাম না করে মমতাকে পরামর্শ শুভেন্দুর

অন্নপূর্ণা যোজনার প্রকল্পের টাকা উপভোক্তার আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে আধার নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং উপভোক্তার নথিতে কোনও অসঙ্গতি থাকলে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তবে ছায়া সনকারের ক্ষেত্রে ঠিক কীভাবে এই বিভ্রাট ঘটেছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে, অভিযোগের নিষ্পত্তি করে প্রকৃত উপভোক্তা যাতে তাঁর প্রাপ্য সুবিধা পান, সেই ব্যবস্থা করাও জরুরি।

আরও পড়ুন: আধার লিঙ্ক করালে কী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খালি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে? জানাল UIDAI

এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট। বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, উপযুক্ত উপভোক্তাদের কেউই বঞ্চিত হবেন না এবং সকলেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমাধানের চেষ্টা করার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। এখন ছায়া সনকারের অভিযোগের নিষ্পত্তি করে কবে তাঁর সমস্যার সমাধান হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পাশাপাশি এরকম সমস্যায় যাতে আর কোনও মহিলাকে পড়তে না হয়, তার আবেদনও জানানো হচ্ছে সরকারের কাছে।

Leave a Comment