সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) প্রদান করা হলেও খুব একটা খুশি নন বাংলার সরকারি কর্মীরা। এক কথায় তাঁরা উৎফুল্ল হওয়ার কোনও কারণ দেখছেন না। ঠিক এমনটাই জানালেন ডিএ মামলাকারি মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)। আসলে কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র ফারাক নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন সকলে। সেইসঙ্গে ২০ শতাংশ ডিএ নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
২০ শতাংশ ডিএ নিয়ে ফের প্রশ্ন সরকারি কর্মীদের
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ বৃদ্ধির হার এবং কার্যকর হওয়ার তারিখের তুলনা তুলে ধরে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধির বিভিন্ন পর্যায়ের সঙ্গে রাজ্যের ডিএ-র তুলনা করা হয়েছে। পাশাপাশি, ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০ শতাংশ ডিএ দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
মলয় মুখোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘ ০১. ১০. ২৬ থেকে ২০%, ডিএ দেওয়াটাকে আমরা উৎফুল্ল হওয়ার কোনো কারণ দেখছি না। ০১. ০১. ২০১৯ থেকে বিগত সরকারের থেকে একসঙ্গে ৪ কিস্তি বা ২৫% ডিএ পেয়েছিলাম।’ ছবিতে দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্য সরকার যদি এপ্রিল মাস থেকেই অতিরিক্ত ৪ শতাংশ ডিএ দিত, তাহলে সাত মাসের হিসাবে মোট ২৮ শতাংশ ডিএ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতো বলে দাবি করা হয়েছে। সেই যুক্তি তুলে ধরে ১ অক্টোবর থেকে ২০ শতাংশ ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
আরও পড়ুন: ভুটানে শিনটাফু হ্রদ ভেঙে বিপুল জলস্রোত, বিপদে উত্তরবঙ্গ! মোতায়েন NDRF
কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?
সরকারি কর্মীদের বক্তব্যের মূল বিষয় হল, কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র মধ্যে পার্থক্য এবং বকেয়া নিয়ে কর্মচারীদের অসন্তোষ। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ ডিএ-র হার বৃদ্ধি এবং বকেয়া মেটানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে ছবিতে দেওয়া ডিএ-র হার, তারিখ এবং হিসাব সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। ডিএ-র বর্তমান হার, কার্যকর হওয়ার তারিখ ও বকেয়ার পরিমাণ নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারের সরকারি বিজ্ঞপ্তি এবং প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা জরুরি।