বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এবার প্রমাণ হিসেবে ভিডিও পোস্ট করে বড়সড় অভিযোগ তুললেন মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অভিষেকের দাবি, গত দুইদিন ধরে কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি তাঁর অফিস এবং বাসভবনের আশেপাশে নজরদারি চালাচ্ছেন। আর এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ফের প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক।
অভিষেকের অভিযোগ গুরুতর
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিওটিতে দেখা যায়, আকাশী জামা এবং নীল রঙের জিন্স পরিহিত এক ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। পেছন থেকে সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন কেউ। ভিডিওটিতে দেখা যায়, রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ এক ব্যক্তির বাইকে চেপে চলে যাচ্ছেন ওই যুবক।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে অভিষেকের অভিযোগ, এই ব্যক্তিরা গত দুদিন ধরে মোটর বাইকে করে তাঁর অফিস এবং বাড়ির উপর নজরদারি চালাচ্ছেন। ওই দুই ব্যক্তির ব্যবহৃত মোটর বাইকটির রেজিস্ট্রেশন নম্বরের ছবিও নিজের পোস্টে শেয়ার করেছেন তৃণমূল সাংসদ। অভিষেকের বক্তব্য, ভিডিওতে যেই দুই ব্যক্তিকে দেখতে পাওয়া গিয়েছে তাঁদের প্রশ্ন করা হলে নাকি তাঁরা নিজেদের পুলিশকর্মী বলে দাবি করেছিলেন।
For the past two days few unidentified individuals have been conducting reconnaissance of my office and residence. The registration number of their motorcycle is mentioned below.
When confronted, they claimed to be police personnel.
Why is the State Police allegedly spying on… pic.twitter.com/GdnZHk8KLL
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) November 6, 2026
আরও পড়ুন: অঙ্গকৃষদের বিনিময়ে বৈভব সূর্যবংশীদের দলে নিতে রাজি নয় KKR! বড় খবর
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিষেক লিখেছেন, ““একজন নির্বাচিত সাংসদের অফিস ও বাসভবনের উপর রাজ্য পুলিশ কেন নজরদারি চালাবে? এই নজরদারির অনুমতি কে দিয়েছে এবং এর উদ্দেশ্যই বা কী?” গোটা ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর বলে উল্লেখ করে এই ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিষেক। পাশাপাশি গোটা ঘটনায় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, কলকাতা পুলিশ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ঘটনার পেছনে কোনও খারাপ উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দ্রুত প্রকাশ্যে আনারও দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।