=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ঋণে জর্জরিত উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্য, শীর্ষে অন্ধ্রপ্রদেশ! বাংলার অবস্থান কোথায়?

Debt Ratio

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশের এমন কিছু রাজ্য রয়েছে, যাদের ঋণ আর জিডিপির অনুপাত (Debt Ratio) সত্যিই উদ্বেগজনক। তবে ঋণের দিক থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ এখন তালিকার শীর্ষে। হ্যাঁ, কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অফিসের সর্বশেষ একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের তেলুগুভাষী রাজ্যগুলির মধ্যে ঋণের অঙ্ক সবথেকে বড়। রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, অন্ধ্রপ্রদেশ রয়েছে প্রথম স্থানে, আর তেলেঙ্গানা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। এমনকি সবথেকে বড় ব্যাপার, উত্তর ভারতের যে সমস্ত রাজ্যগুলি নিজেদেরকে উন্নত বলে দাবি করে, তারা র‍্যাঙ্কিং এর শীর্ষে।

কী বলছে পরিসংখ্যান?

রিপোর্ট বলছে, অন্ধ্রপ্রদেশে বর্তমানে ৪৩.৭% মানুষ ঋণগ্রস্ত এবং তেলেঙ্গানায় ৩৭.২% মানুষ ঋণগ্রস্ত। আর এর পরপরই রয়েছে কেরালা, তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটক। সেখানে যথাক্রমে ২৯.৯%, ২৯.৪% এবং ২৩% মানুষ ঋণের বোঝা নিয়ে ঘুরছে। সবথেকে বড় ব্যাপার, দিল্লিতে মাত্র ৩.২% মানুষ ঋণে জর্জরিত। পাশাপাশি ছত্তিশগড়ে মাত্র ৬.৫%। তবে শীর্ষ পাঁচের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি। আর সে অনুযায়ী দিল্লি ছাড়া বাকি রাজ্যগুলির অবস্থা খুব একটা সন্তোষজনক নয়।

ঋণ বৃদ্ধির পিছনে কারণ কী?

আসলে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণেই মূলত এই ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্যই রাজ্যগুলোকে দিনের পর দিন বেশি পরিমাণে ঋণ নিতে হচ্ছে। ২০২৪ সালের ঋণগ্রস্ত শীর্ষ ১০টি রাজ্যের তালিকায় ছিল—

  • তামিলনাড়ু, যেখানে ঋণের পরিমাণ ছিল ৮.৩ লক্ষ কোটি টাকা।
  • যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশ, যেখানে তাদের ঋণের পরিমাণ ছিল ৭.৭ লক্ষ কোটি টাকা।
  • মহারাষ্ট্র, যাদের ঋণের পরিমাণ ছিল ৭.২ লক্ষ কোটি টাকা।
  • পশ্চিমবঙ্গ, যাদের ঋণের পরিমাণ ছিল ৬.৬ লক্ষ কোটি টাকা।
  • কর্ণাটক, যাদের পরিমাণ ৬.০ লক্ষ কোটি টাকা।
  • রাজস্থান, যাদের ঋণের পরিমাণ ৫.৬০ কোটি টাকা।
  • অন্ধ্রপ্রদেশ, যাদের ঋণের পরিমাণ ৪.৯ লক্ষ কোটি টাকা।
  • গুজরাট, যাদের ঋণের পরিমাণ ৪.৭ লক্ষ কোটি টাকা।
  • কেরালা, যাদের ঋণের পরিমাণ ৪.৩ লক্ষ কোটি টাকা।
  • মধ্যপ্রদেশ, যাদের ঋণের পরিমাণ ৪.২ লক্ষ কোটি টাকা।

তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, যে কোনও রাজ্যকেই তাদের ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে আর রাজস্ব বৃদ্ধি করতে হবে। নাহলে এই ঋণের পরিমাণ দিনের পর দিন বাড়বে। তবে জাতীয় ঋণের ক্ষেত্রে গত ৬ বছরে ভারতীয় রাজ্যগুলির ঋণ প্রায় ৭৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি ২০২৫ সালে দিল্লি সবথেকে সন্তোষজনক ফলাফল দেখাচ্ছে, যেখানে অন্যান্য রাজ্যগুলির অবস্থা খুব একটা ভালো না।

আরও পড়ুনঃ বাবা হলেই মিলবে ১৫ দিনের ছুটি, রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা

ঋণের পরিমাণ বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গের

সবথেকে বড় ব্যাপার, পশ্চিমবঙ্গ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকেই ২৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। আর এর ফলে তাদের মোট ঋণ দাঁড়াবে ৭৮ হাজার কোটি টাকা। এমনকি অর্থ বিভাগের রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, মার্চ মাসের মধ্যেই গোটা বছরের ঋণ ১ লক্ষ কোটি টাকা ছোঁবে। ফলত দিনের পর দিন পশ্চিমবঙ্গের অবস্থাও যে খুব একটা ভালোর দিকে এগোচ্ছে, তা বলা যায় না।

Leave a Comment