সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দিল্লির যন্তরমন্তরে প্রথম আন্দোলন সফল হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির। তাদের দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এমনকি লোকসভায় পেশ হয়েছে প্রশ্নফাঁস বিরোধী বিল। তবে সেই আন্দোলন সফল হতেই এবার যন্তরমন্তরের সিজন ২ এর ডাক দিয়েছিল অভিজিৎ দীপকেরা (Abhijeet Dipke)। কিন্তু আজ দিল্লির একটি পার্কে তারা সমবেত হলে কর্তৃপক্ষ তাদেরকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে বলেই খবর। এমনকি তাদেরকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে “এখানে কোনও ভন্ডামি চলবে না।”
পার্ক থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হল অভিজিৎদের
অভিজিৎ দীপকে আগেই জানিয়েছিলেন, “আজ দিল্লিতে আমাদের সমর্থকদের নিয়ে একটি সভা করার কথা ছিল। তবে তার জন্য আমাদের দরকার ছিল একটি ইনডোর জায়গা। বেশ কয়েকটি জায়গায় কথা বললেও কেউ হল দিতে রাজি হয়নি। সবার দাবি, উপর থেকে চাপ আছে। তারা ককরোচদের হল দিতে পারবে না। এমনকি অনেক কষ্টে একটি হল জোগাড় করতে পারলেও পরের দিন সকালে তারা তা দিতে রাজি হয়নি। তাদেরকে নাকি হুমকি দেওয়া হয়েছিল যে ককরোচদের হল দিলে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।”
তবে হলের ব্যবস্থা না হওয়ায় অভিজিৎ দীপকে এবং তাঁর দলের সদস্যরা একটি আবাসিক সমিতির পার্কে যান। সেখানেই তারা ‘যন্তরমন্তর সিজন ২’ কর্মসূচি চালাবেন বলে ঠিক করেন। এমনকি সেখানকার কর্মী সমর্থকরা দাবি করেন “মোদীর পদত্যাগ চাই।” তবে আচমকাই সমিতির সদস্যরা সিজেপির সমর্থকদের আসার খবর পেয়ে সেখানে এসে বাধা দেয়। তাদের স্পষ্ট দাবি, “এখানে কোনও নাটক সহ্য করা যাবে না। এটা প্রতিবাদ বা বিক্ষোভের জায়গা নয়।” এমনকি সিজেপি সমর্থকদের সাথে তাদের তর্কাতর্কি এবং হাতাহাতিও শুরু হয়। শেষমেষ পুলিশ এসে অভিজিৎদের জায়গা খালি করার নির্দেশ দেয়।
🚨 LEADERS LEFT. VOLUNTEERS WERE LEFT BEHIND.
Abhijeet Dipke and his CJP team reportedly entered a society park without permission to hold a meeting.
Residents objected.
And then, Dipke and other leaders disappeared- while their volunteers were left facing angry residents.… pic.twitter.com/uMCuEr4bKZ
— The Alternate Media (@AlternateMediaX) August 13, 2026
আরও পড়ুন: খুলছে অন্নপূর্ণা যোজনার নতুন পোর্টাল, কী কাজ হবে? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
পরে অভিজিতের দাবি, এভাবে লোকজনকে ভয় দেখানো হচ্ছে। তাদেরকে সভা করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, “এই সবকিছুই বিজেপির নির্দেশে করা হচ্ছে। বিজেপি সদস্যরা সবাইকে হুমকি আর ভয় দেখাচ্ছে। তারা বলছে, যদি কেউ ককরোচ জনতা পার্টিকে সভা করতে জায়গা দেয়, তাহলে তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হবে। বিজেপির ভয় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছে ধীরে ধীরে। কিন্তু হলঘরে সভা করার জন্য তো কোনও পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন হয় না। আমাদের অভিযান খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।”