=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

এডমুন্ড বা আনোয়ার আলি নয়, ইস্টবেঙ্গলের এই একজনকেই ভয় পায় ‘গোটা মোহনবাগান!’

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ডুরান্ড কাপের বদলা নিয়েছে মোহনবাগান (Mohun Bagan Super Giant)। IFA শিল্ডের ফাইনালে 1-0 ব্যবধানে হেরেছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। আর সেই ম্যাচের পর থেকেই লাল হলুদ সমর্থকদের নিশানায় এনে নানান মন্তব্য করছেন বাগানিরা। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের বক্তব্য, তাঁরা খুব শীঘ্রই ফিরবেন। আপাতত ACL 2 এর দিকে নজর রয়েছে শহরের এই ঐতিহ্যবাহী দলটির। এমতাবস্থায় যে প্রসঙ্গটা উঠে আসছে তা হল, ইস্টবেঙ্গলের এমন একজন সদস্য রয়েছেন যাঁকে আদতেই ভয় পায় বা সমীহ করে চলে গোটা মোহনবাগান দল এবং বাগান সমর্থকরা। কে তিনি?

যাঁকে ভয় পায় মোহনবাগান!

বৃহস্পতিবার, মোহনবাগানের সামনে সেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। যদিও ম্যাচের শুরুর দিকে সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেছে লাল হলুদ। কিন্তু তাতে কাজের কাজ হয়নি। গতকালের ম্যাচ দেখে মনে হয়েছে, মোহনবাগান আগে থেকেই ইস্টবেঙ্গলকে হারানোর পরিকল্পনা করে এসেছিল। তাইতো প্রথম গোল করেই লাল হলুদকে আটকাতেই নিজেদের সব শক্তি লাগিয়ে দিয়েছিল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।

ফুটবল বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, এদিনের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের তুলনায় অনেক ভাল ফুটবল খেলেছেন মোহনবাগানের প্লেয়াররা। ঠিক সে কারণেই একেবারে যোগ্য দল হিসেবেই শিল্ড ঘরে তুলেছে সবুজ মেরুন। তবে এই জয়ের পরেও ইস্টবেঙ্গলের একজন ব্যক্তিকে যথেষ্ট সমীহ করে চলছে বাগান। কারণ, সে চাইলে পরিস্থিতি বদলাতে বেশি সময় লাগবে না।

আরও পড়ুন: “সব সমস্যার সমাধান যেন বৈভব সূর্যবংশীই!” সঞ্জুর বাদ পড়ার ঘটনায় বড় মন্তব্য কার্তিকের

ইস্টবেঙ্গলের আনোয়ার আলি, এডমুন্ড বা অন্য কোনও ফুটবলার নয় বরং লাল হলুদের বর্তমান কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের গুণ জানে মোহনবাগান। তাঁকেই সমীহ করে চলে তারা। এই বিদেশি তারকার কৌশল যে কতটা কঠিন, সেটা জানতে বাকি নেই সবুজ মেরুন ভক্তদের। এর আগে মোহনবাগানকে সাফল্য পাইয়ে দিয়েছিলেন হাবাসই। সেই তারকাই এখন ইস্টবেঙ্গলের মাথায়। ফুটবলের পাঁকা মাথার এই ভদ্রলোককে আর যাই হোক খানিকটা ভয়ই পায় মোহনবাগান! সবুজ মেরুন ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে ভক্ত সকলেই জানেন, বৃহস্পতিবারের ম্যাচে হারলেও হাবাস ঠিক ইস্টবেঙ্গলকে ছন্দে ফিরিয়ে আনবেন।

Leave a Comment