=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

জানেন ভারতে কেন এত ধর্মস্থল রয়েছে?

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভারতবর্ষ এমন এক বৈচিত্র্যের দেশ যেখানে একাধিক ধর্মের মানুষ নিজেদের সংস্কৃতি ঐতিহ্য (History of Indian Temples) বজায় রেখে একসঙ্গে সহাবস্থান করে। এখানে একদিকে যেমন রয়েছে অসংখ্য নতুন পুরোনো মন্দির, ঠিক তেমনই অন্যদিকে রয়েছে মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার, বৌদ্ধ বিহার, জৈন মন্দির ইত্যাদি। এমন দৃশ্য বাকি অন্য কোনো দেশে নেই বললেই চলে। স্বাভাবিকভাবেই তাই সকলের মনে প্রশ্ন (GK) জাগতেই পারে যে ভারতে এত ধর্মের সহাবস্থান কীভাবে হল? তাহলে চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক।

ভারতের নানা প্রান্তে রয়েছে উপাসনাস্থল

দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে হাজার হাজার ধর্মীয় স্থাপনা। যেগুলির মধ্যে কোনো কোনো মন্দির মসজিদ কয়েক হাজার পুরোনো। শহরের পুরনো অলিগলি দিয়ে হেঁটে গেলে এই দৃশ্যটি বড্ড দেখা যায়। অনেক পুরোনো ধর্মস্থল একাধিকবার সংস্কার ও সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে বর্তমান রূপ পেয়েছে। শেষ জনগণনা অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ভারতের জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশ হিন্দু, ১৪ শতাংশের কিছু বেশি মুসলিম এবং বাকি অংশ জুড়ে রয়েছে খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন এবং ক্ষুদ্র কিছু সম্প্রদায় যেমন পার্সি ও ইহুদি রয়েছে। আসলে ভারতে হিন্দুধর্মের নির্দিষ্ট কোনও সূচনালগ্ন নেই। অর্থাৎ এটি এক দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক ঐতিহ্যের ফসল।

ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ধর্মের আগমন

ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যাবে, আনুমানিক ২৫০০ বছর আগে আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের। এরপর পঞ্চদশ শতকে পঞ্জাবের মাটিতে গুরু নানকের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় শিখ ধর্ম। অন্যদিকে, বহিরাগত ধর্মগুলোর আগমন ঘটেছিল ভিন্নভাবে, ভিন্ন সময়ে। অনেকে বলেন, ইউরোপীয়দের আগমনের সঙ্গেই ভারতে খ্রিস্টধর্মের প্রবেশ ঘটেছিল। একইভাবে উত্তর ভারতে আরব বণিকদের হাত ধরে ভারতের পশ্চিম উপকূলে পা রেখেছিল ইসলাম ধর্ম। যদিও এর সত্যতা যাচাই করেনি আমরা। আর তারপরেই ভারতবর্ষে গড়ে উঠেছিল একের পর এক ধর্মকেন্দ্রিক স্থাপত্য।

আরও পড়ুন: জলের উপরেই ভাসে আস্ত গ্রাম! বাস করেন ৪০০ মানুষ, রইল ঠিকানা

প্রসঙ্গত, ভারতের এই বিচিত্র ধর্মস্থলগুলি যে শুধু উপাসনাস্থল, তা কিন্তু নয় এগুলি দেশের প্রাচীন ইতিহাস, স্থাপত্য, শিল্পকলা, সামাজিক জীবন ইত্যাদি নানা তথ্য বহন করে। সেই কারণেই আজও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এই মন্দির, মসজিদ, গির্জা ইত্যাদি নানা ধর্মীয় স্থাপত্য আজও ভারতকে আলাদা বৈশিষ্ট্যে তুলে ধরা হয়েছে।

Leave a Comment