=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

এবার বিশ্ববাজারে Jio, বড় প্রস্তুতি আম্বানির সংস্থার

অনন্যা সরকার, কলকাতা: জিও প্ল্যাটফর্মস (Jio Platforms) আর শুধু ভারতীয় বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। কোম্পানিটি তাদের নিজস্ব উদ্ভাবিত, স্বয়ংসম্পূর্ণ টেলিকম প্রযুক্তি নিয়ে এবার বিশ্ববাজারে পা রাখার জন্য একটি বড় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তাদের লক্ষ্য হলো উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয় মার্কেটেই আন্তর্জাতিক অপারেটরদের কাছে তাদের নিজস্ব প্রযুক্তি তুলে ধরা। 

জিও প্ল্যাটফর্মস হতে চলেছে আন্তর্জাতিক

প্রচলিত মডেলে, টেলিকম অপারেটরদের নতুন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য হয় বিপুল মূলধন বিনিয়োগ করতে হয়, অথবা সফটওয়্যার লাইসেন্স কিনতে হয়। তবে, জিও ‘অ্যাসেট-লাইট’, অর্থাৎ কম সম্পদ-নির্ভর এবং ‘ম্যানেজড-সার্ভিসেস’, অর্থাৎ পরিচালিত পরিষেবা-ভিত্তিক কৌশল গ্রহণ করেছে। এর ফলে স্থানীয় অপারেটররা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্কে জিও-র প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে, আর জিও এই পরিষেবাগুলো পরিচালনা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব করবে।

কী জানিয়েছেন আকাশ আম্বানি? 

গত ১৫ অক্টোবর মুম্বাইয়ের একটি ইভেন্টে আকাশ আম্বানি জানান যে, জিও-র আন্তর্জাতিক রোডম্যাপটি অনন্য হতে চলেছে। এমনকি, এটি বিশ্বজুড়ে প্রথমবারের মতো বাস্তবায়িত হচ্ছে। তাঁর মতে, জিও-র সম্পূর্ণ প্রযুক্তি কাঠামোটি ইতিমধ্যেই তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্কে কার্যকর রয়েছে, এখন কোম্পানি অন্যান্য অপারেটরের নেটওয়ার্কেও এটি ব্যবহার করার সুযোগ সন্ধান করছে। জিও জানিয়েছে যে, অংশীদার নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাজারের সুযোগ, কৌশলগত সামঞ্জস্য এবং মূল্য তৈরির সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাদের প্রযুক্তি সম্ভারের মধ্যে রয়েছে ৫জি কোর (5G core), ক্লাউড-নেটিভ র‍্যান (RAN), ওএসএস/বিএসএস (OSS/BSS) প্ল্যাটফর্ম, ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস এবং এআই-চালিত নেটওয়ার্ক অটোমেশন।

আরও পড়ুন: বেসরকারিকরণের পথে কলকাতা বিমানবন্দর? কেন্দ্রের PPP পরিকল্পনা ঘিরে জল্পনা

ইতিমধ্যেই জিও-র প্রযুক্তি ভারতের মতো জটিল ও বিশাল বাজারে সফলভাবে পরীক্ষিত। বর্তমানে কোম্পানিটি এ দেশে ৫৩ কোটি ৩০ লক্ষেরও বেশি গ্রাহককে পরিষেবা দিচ্ছে এবং ভারতের মোট ওয়্যারলেস ডেটা ট্রাফিকের প্রায় ৬০ শতাংশই রয়েছে জিও-র নিয়ন্ত্রণে। এই অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক বাজারে সম্ভাব্য পার্টনারদের কাছে জিও-র বিশ্বাসযোগ্যতাকে আরও জোরালো করে তুলেছে। জিও-র এই কৌশলের মাধ্যমে ভারত কেবল প্রযুক্তি আমদানিকারকই নয়, বরং উন্নত ও নিজস্ব প্রযুক্তির রপ্তানিকারকও হয়ে উঠবে। জিও ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি টেলিকম ব্যবস্থাকে বিশ্ব প্রতিযোগিতার বাজারে একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দিকে এগিয়ে চলেছে। 

জানিয়ে রাখি, জিও প্ল্যাটফর্মসের আইপিও-তে ২৭ কোটি বা ২৭০ মিলিয়ন নতুন শেয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মূল্যসীমা (price band) নির্ধারণ করা হয়েছে শেয়ার প্রতি ১,০৬৫ টাকা থেকে ১,১১৯ টাকা। এটি ২১ অক্টোবর ইস্যু করা হয়েছে এবং ২৩ অক্টোবর শেষ হবে। আগামী ২৮ অক্টোবর শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশেষ উদ্দেশ্যে আরও এক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করল পাকিস্তান, অংশীদার হল ৩ দেশ

মূল্যসীমার সর্বোচ্চ পর্যায়ে, মূল্যসীমার সর্বোচ্চ স্তরের ভিত্তিতে, জিও বাজার থেকে মোট ৩০,২১৩ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে, যা ২০২৬ অর্থবর্ষে কোম্পানির সম্ভাব্য আয়ের প্রায় ৩৪ গুণ। আইপিও (IPO) থেকে আসা অর্থের প্রায় ২৭,৫০০ কোটি টাকা রিলায়েন্স জিও ইনফোকম-এর ঋণ পরিশোধে ব্যবহৃত হবে ও অবশিষ্ট অর্থ করপোরেটের প্রয়োজনে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া, অ্যাঙ্কর বুকের জন্য ৮,১১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। অন্যদিকে, প্রায় ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার বিড বা প্রস্তাব জমা পড়েছে, যা প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে ৩০ গুণেরও বেশি। এটাই প্রমাণ করে যে, জিও-র প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণের পরিকল্পনার প্রতি বিনিয়োগকারীদের প্রবল আগ্রহ রয়েছে।

Leave a Comment