=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

‘এরা ভারতের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে না” ইলন মাস্ককে তুলোধোনা কামাল হাসানের

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা স্টারলিঙ্ককে, সম্প্রতি এমন দাবিই করেছেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক (Elon Musk)। শুধু তাই নয়, ক্রমাগত নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে চলেছেন টেসলা কর্তা। সম্প্রতি মাস্ক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, “আম্বানি কি ভারতের আসল মালিক?” শুধু তাই নয় আম্বানির সাথে প্রধানমন্ত্রী নামটা জুড়ে আরও কিছু পোস্ট করেছেন তিনি। এবার সেই সব পোস্ট নিয়েই আমেরিকার শিল্পপতিকে নিশানা করলেন কামাল হাসান (Kamal Haasan) । তাঁর দাবি, “কোনও বিদেশি গোষ্ঠী যাঁরা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু বোঝেনা, তাঁরা ভারতের নীতি নির্ধারণ করে দেবে না।”

মাস্ককে তুলোধোনা হাসানের

বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল মার্কিন ধনুকুবের মাস্কের পোষ্টের পর থেকেই। একটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “দুর্ভাগ্যবশত, ভারতের বাজারে স্টারলিঙ্ককে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বাধা আসছে। কিছু গোষ্ঠী সে দেশে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে চায়।” যদিও কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি না হলেও মাস্কের ওই দাবি একপ্রকার উড়িয়ে দিয়েছে। পরবর্তীতে আরেকটি পোস্টে মার্কিন ব্যবসায়ী লেখেন, “ভারতে যেসব মানুষেরা চড়া দাম দিয়ে ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যবহার করতে পারেন না, স্টারলিঙ্ক তাঁদের কাছেও হাইস্পিড এবং সাশ্রয়ী ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছে দেবে।”

মাস্ক অনিরুদ্ধ মালপানির এক পোস্ট রিটুইট করে একেবারে খোলাখুলি লিখে ফেলেন, “ভারত সরকার সাধারণ নাগরিকদের থেকে সুবিধাভোগী পুঁজিপাতিদের স্বার্থ রক্ষা করতে বেশি আগ্রহী।” এখানেই শেষ নয়, এক্স হ্যান্ডেলে টেসলা কর্তা আরও লেখেন, “গত 5 বছর ধরে ভারতে স্টারলিঙ্ক সব রকম নিয়ম মেনে চলেছে। কিন্তু তারপরেও কেন লাইসেন্স পেলাম না আমরা? তাহলে কি ধরে নিতে হয় ভারতের আসল বস আম্বানিই?”

নতুন আরেক পোস্টে মাস্ক লিখেছেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আম্বানি, ভারত যে আসলে আপনারই নিয়ন্ত্রণে এই বিষয়টা বুঝতে না পারার জন্য আমাকে ক্ষমা করুন।” মাস্কের এমন সব পোস্টে একেবারে তোলপাড় হয়ে গিয়েছে নেট দুনিয়া। আর এসব নিয়েই এবার মার্কিন ধনকুবেরকে তুলোধোনা করলেন কামাল হাসান। মাস্ককে রীতিমতো স্বার্থান্বেষী বলে তোপ দেগে হাসান বলেন, কোনও বিদেশি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী, এরা ভারতের নীতি নির্ধারণ করে দেবে না।

মাস্কের পোস্ট রিটুইট করে কামাল লিখেছেন, “ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত যা যেমন ডিজিটাল বিভাজন দূর করবে, তেমনই নতুন করে কোনও বিভাজন তৈরি করবে না।” তাঁর মতে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট পরিষেবাকে পৌঁছে দিতে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় সংস্থার প্রতিযোগিতাকে স্বাগত জানানো উচিত। একই সাথে শুধুমাত্র ইন্টারনেট সংযোগের সুযোগ তৈরি করলেই হবে না। স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবার খরচ বেশি হলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের পক্ষে সেই খরচ বহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে।

আরও পড়ুন: ‘ওদেরই জেতা উচিত ছিল’ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে বাজেভাবে হেরে বললেন গৌতম গম্ভীর

নিজের ওই পোস্টের একেবারে শেষ প্রান্তে মার্কিন ধনকুবেরকে নিশানা করে হাসান জানান, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ, কোনও উপনিবেশ কিন্তু নয়। আমাদের দেশ সবাইকে স্বাগত জানায়। তবে গোটা বিশ্বকে স্বাগত জানালেও দেশের ভবিষ্যৎ কী হবে সেটা ঠিক করবে ভারতীয়রাই। পশ্চিমী দুনিয়ার কোনও স্বার্থান্বেষী সংস্থা বা গোষ্ঠী সে ভারতীয় হোক কিংবা আমেরিকান, তাঁরা কেউই ভারতের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না। এটা করার অধিকার ভারতীয়দেরই!”

Leave a Comment