=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

এ যেন চিনের প্রাচীর! ছুটি কাটাতে ঘুরে আসুন ‘রায়গড় ফোর্ট’

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনি কি জানেন, ভারতে রয়েছে এমন এক দূর্গ যাকে একনজরে দেখলে মনে হবে চিনের প্রাচীর? হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। আজ কথা হচ্ছে মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার বিখ্যাত ‘রায়গড় ফোর্ট’ (Raigad Fort) নিয়ে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮২০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই দুর্গটি ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের নির্মিত চমৎকার দুর্গগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ছুটি কাটাতে ঘুরে আসুন ‘রায়গড় ফোর্ট’

অনেকেই হয়তো জানেন, আবার অনেকেই হয়তো জানেন না যে শিবাজি মহারাজের রাজ্যাভিষেকও এখানেই হয়েছিল। দূর্গে পৌঁছানোর জন্য ১৭৩৭টি সিঁড়ি রয়েছে, কিন্তু এখন চূড়ায় পৌঁছানোর জন্য একটি রোপওয়েও আছে, যা ব্যবহার করে মাত্র ২০ মিনিটে পৌঁছানো যায়। রায়গড় দুর্গের ইতিহাস সম্পর্কে বললে, দুর্গটির আদি নাম ছিল রায়রি, যা চন্দ্ররাও মোরে নির্মাণ করেছিলেন। ১৬৫৬ সালে শিবাজি মহারাজ দূর্গটি দখল করে পুনর্নির্মাণ করেন এবং এর নাম দেন রায়গড়। ১৬৯৮ সালে ঔরঙ্গজেব ও জুলফিকার খান রায়গড় দখল করে এর নাম পরিবর্তন করে ইসলামগড় রাখেন। পরবর্তীকালে ব্রিটিশরা দুর্গটি লুট করে।

আরও পড়ুন: ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে টিম ইন্ডিয়ার হারের নেপথ্যে মূল ‘কালপ্রিট’ ৩ ভারতীয়

পর্যটনকেন্দ্র রায়গড় দূর্গটি একটি ধর্মীয় স্থান হিসেবেও পরিচিত, কারণ এখানে শিবাজীর সমাধি রয়েছে। মূল প্রাসাদটি সম্পূর্ণ কাঠ দিয়ে নির্মিত। দূর্গটি বিশেষভাবে ছয়টি কক্ষে বিভক্ত, যার প্রতিটিতে নিজস্ব বিশ্রামকক্ষ রয়েছে। দূর্গের সর্বোচ্চ চূড়াটি প্রায় ৬০০ ফুট উঁচু এবং সেখানে প্রবেশের পথটি একটি বিশাল তোরণ। ১৩৫৬ মিটার উচ্চতার এই দুর্গটি ভারতের অন্যতম উচ্চতম দূর্গ। দূর্গের ভিতরে একটি বাজারও রয়েছে যেখানে পর্যটকরা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারেন। দূর্গের পাশে একটি লেক রয়েছে যা এর সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ করে তোলে। যাঁরা ট্রেকিং ভালোবাসেন তাঁদের এই জায়গাটি ভালো লাগবেই।

কীভাবে যাবেন?

নিশ্চয়ই ভাবছেন এত সুন্দর জায়গায় কীভাবে পৌঁছাবেন? সেক্ষেত্রে আপনি কলকাতা থেকে আকাশপথে প্রথমে মুম্বাই বিমানবন্দরে নামতে হবে। এরপর সেখান থেকে একটি গাড়ি ভাড়া করে নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারবেন। এছাড়া রায়গড় ফোর্টের নিকটতম রেল স্টেশন হলো বীর রেলওয়ে স্টেশন, যা রায়গড় থেকে ৩০ কিমি দূরে অবস্থিত।

Leave a Comment