বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: একটু টান লাগলেই যায় ছিড়ে, তাছাড়াও টেকসই নয়! কাগজের নোট (Indian Currency) নিয়ে নানান সমস্যা রয়েছে আমজনতার। এবার সেই সমস্যা দূর করতেই বাজারে আসছে প্লাস্টিকের নোট। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে পরীক্ষামূলকভাবে 10 টাকার প্লাস্টিকের নোট বাজারে আনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি যেভাবে এগোচ্ছে তাতে আগামী দিনে পলিমারের তৈরি নোটকে ছাপিয়ে বাজারে আসতে পারে স্মার্ট নোট (Smart Note) । কেমন হবে সেই নোট?
বাজারে আসবে স্মার্ট নোট?
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের মতে, ভবিষ্যতে ভারতীয় মুদ্রা প্লাস্টিক নোটের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে স্মার্ট নোট হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। আর এই ধরনের নোটের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এগুলি অনলাইন এবং অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়। মুদ্রা বিশেষজ্ঞ ফ্র্যাঙ্কলিন মনে করছেন, স্মার্ট নোট হতে চলেছে প্রচলিত কাগজের বা প্লাস্টিকের মুদ্রা ও ডিজিটাল পেমেন্টের সংমিশ্রণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতে যদি স্মার্ট নোট আসে তবে সেগুলি দেখতে সাধারণ নোটের মতোই হবে। তবে এই নোটে থাকবে RFID এর মতো ইলেকট্রনিক চিপ এবং ইলেকট্রনিক কালি। পরবর্তীতে এই নোটগুলিকে ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা স্মার্টফোনের সাথে যুক্ত করা হতে পারে। যার ফলে টাচ করেই করা যাবে পেমেন্ট। এখন প্রশ্ন ঠিক কীভাবে কাজ করবে এই স্মার্ট নোট?
অবশ্যই পড়ুন: রেশন কার্ডে নাম ভুল? চেঞ্জ করতে হবে ঠিকানাও? ফোন দিয়ে এভাবে করে নিন ৫ মিনিটে
কীভাবে কাজ করবে এই স্মার্ট নোট?
আপাতত ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে কারও কাছে যদি 100 টাকার স্মার্ট নোট থাকে সেক্ষেত্রে ওই নোটের চিপ ও ই লিঙ্কে দেখা যাবে নোটটিতে কত অর্থ রয়েছে। ওই নোট বাজারে অনলাইন বা অফলাইন মাধ্যমে খরচ করার পর সংখ্যা শূন্যতে নেমে আসবে। তখনই স্মার্টফোন থেকে ওই নোটটিতে আবার 100 টাকা রিচার্জ করে নিলেই ব্যবহার করা যাবে স্মার্ট নোটটি। সেক্ষেত্রে 100 টাকার নোটে সর্বোচ্চ 100 টাকা, 500 টাকার নোট সর্বোচ্চ 500 টাকাই রিচার্জ করা যাবে। অনেকেই মনে করছেন, যেসব জায়গা ইন্টারনেট পরিষেবা থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন সেইসব প্রত্যন্ত জায়গাতেও এই স্মার্ট নোট ব্যবহার করে লেনদেন করা যাবে!