=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

কেন বিয়ের ৪৫ বছর পরেও শশুরবাড়ি যেতে পারেননি হেমা? জানলে অবাক হবেন

Dharmendra Hema Malini

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ৮৯ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন কিংবদন্তী অভিনেতা ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে বর্তমানে দেশজুড়ে শোকের ছায়া বিরাজ করছে। গোটা বলিউডের পাশাপাশি শোকে ডুবে রয়েছে দেওল পরিবার। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে অভিনেতা শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। আজ কথা হবে ধর্মেন্দ্র-হেমার প্রেম কাহিনী নিয়ে। কীভাবে এক সময়ে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা জিতেন্দ্র-র সঙ্গে বিয়ে ভেঙে দিয়ে চার সন্তানের বাবা ধর্মেন্দ্র-র গলায় মালা দিয়েছিলেন হেমা মালিনী। শুধু তাই নয়, আজ কথা হবে, কীভাবে টানা ৪৫ বছর বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এক বাড়িতে থাকতেন না হেমা-ধর্মেন্দ্র।

পরিবার এই বিয়েতে রাজি ছিল না

ধর্মেন্দ্রর পরিবারের কেউই এই সম্পর্ক মেনে নেননি। এমনকি হেমার মাও চেয়েছিলেন যে তিনি জিতেন্দ্রের সাথে বিয়ে করুন। পরিবারের বিরোধিতা সত্ত্বেও, হেমা এবং ধর্মেন্দ্র ১৯৮০ সালের ২রা মে বিয়ে করেন। তাদের দুই মেয়ে, এশা দেওল এবং অহনা দেওল। ধর্মেন্দ্র প্রথম বিয়ে করেন প্রকাশ কৌরের সাথে ১৯৫৪ সালে। ২৬ বছর পর, তিনি ১৯৮০ সালে হেমা মালিনীকে বিয়ে করেন। সেই সময়, তাদের দুজনের বিরুদ্ধে বিয়ের আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ের অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে ধর্মেন্দ্র এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি এমন ব্যক্তি নই যে নিজের পছন্দ অনুসারে আমার ধর্ম পরিবর্তন করব।”

হেমা মালিনী এবং ধর্মেন্দ্র ৪৫ বছর ধরে বিবাহিত। এত সময় পার করার পরেও, অভিনেত্রী কখনও তার শ্বশুরবাড়িতে যাননি। ধর্মেন্দ্র তার প্রথম স্ত্রীর সাথে থাকতেন, আর হেমা অন্য বাড়িতে থাকেন। একটি সাক্ষাৎকারে, অভিনেত্রী প্রকাশ করেছিলেন কেন তিনি তার স্বামীর বাড়িতে যান না। একটি পুরনো সাক্ষাৎকারে, হেমা মালিনী বলেছিলেন যে ধর্মেন্দ্র তার প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং তাদের সন্তানদের সাথে থাকেন, আর তিনি অন্য বাড়িতে থাকেন।

কেন মুখোমুখি হননি প্রকাশ কৌর-হেমা?

স্বামীর থেকে আলাদা থাকার বিষয়ে হেমা বলেন, “কেউ এটা চায় না। এটা স্বাভাবিকভাবেই ঘটে, এবং আপনাকে এটা মেনে নিতে হবে। প্রতিটি মহিলাই তার স্বামী এবং সন্তানদের সাথে একটি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চায়। কিন্তু কখনও কখনও, সবকিছু সেভাবে হয় না। ধর্মেন্দ্র তার ফার্মহাউসে থাকেন এবং শুধুমাত্র শুটিংয়ের জন্য মুম্বাই আসেন।” হেমা মালিনী আরও বলেন, “আমি কখনোই এতে খারাপ বোধ করি না। আমি নিজেকে নিয়ে ভালো বোধ করি। আমি আমার দুই সন্তানকে ভালোভাবে লালন-পালন করেছি, যারা এখন বড় হয়েছে। অবশ্যই, ধর্মেন্দ্র সবসময় তাদের পাশে ছিলেন। বিয়ের এত বছর পরেও, হেমা মালিনী এবং প্রকাশ কৌরকে কখনও একসাথে দেখা যায়নি। প্রকাশ কৌরের সাথে ধর্মেন্দ্রের বিবাহের পর থেকে তাদের চার সন্তান রয়েছে, যাদের নাম সানি দেওল, ববি দেওল, বিজেতা দেওল এবং অজিতা দেওল।”

এক সময়ে প্রকাশ কৌর জানান, ‘হেমা কোন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে তা আমি উপলব্ধি করতে পারি। ওকেও এই সমাজের মুখোমুখি হতে হয়েছে, নিজের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনদের জবাবদিহি করতে হয়েছে। তবে আমি যদি হেমার জায়গায় থাকতাম তবে কোনওদিন এই কাজ করতাম না। মেয়ে হিসাবে, ওর ভাবনাকে আমি সম্মান করি। কিন্তু স্ত্রী হিসাবে, মা হিসাবে সেটা আমি মান্যতা দিতে পারব না।’

Leave a Comment