=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

জানেন কোন পাহাড়ি এলাকাকে দক্ষিণ ভারতের ‘কাশ্মীর’ বলে?

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: টানা ৩-৪ দিনের ছুটি পেলেই কম বেশি সকলেই কাছে দূরে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকি। পাহাড় প্রেমী মানুষরা খোঁজে কোনো অফবিট (Hill Station) জায়গা, যেখানে কোলাহল থেকে বেরিয়ে শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশে দুদণ্ড শান্তি পেতে পারে। অনেকেই মনে করেন কাশ্মীরের (Kashmir) মত ভালো কোনো জায়গা গোটা ভারতে নেই, প্রকৃতি যেন উজাড় করে দিয়েছে, তাইতো একে ভূস্বর্গ বলে। কিন্তু জানেন কি এই এক টুকরো সবুজে ঘেরা ভূস্বর্গ অবস্থান করছে দক্ষিণ ভারতে (South India)?

দক্ষিণ ভারতের কাশ্মীর কাকে বলে?

দক্ষিণ ভারতের পাহাড় বলতে আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে উটি কিংবা কোদাইকানালের অপরূপ দৃশ্য। কিন্তু এর বাইরেও পশ্চিমঘাট এবং পূর্বঘাট পর্বতমালায় লুকিয়ে আছে এমন কিছু গ্রাম এবং শৈলশহর, যার রূপ দেখে সকলেই চমকে যাবে। আর সেই পশ্চিমঘাট পর্বতমালার মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে মুন্নার। কুয়াশায় ঢাকা সবুজ পাহাড় আর মাইলের পর মাইল বিস্তৃত চা বাগানের জন্য একে বলা হয় ‘দক্ষিণ ভারতের কাশ্মীর’। যে সকল পাহাড়প্রেমী শহরের ব্যস্ততা ছেড়ে একটু শান্তি ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য একমাত্র মুন্নার হলো সেরা ঠিকানা।

কুয়াশায় মোড়া বিস্তীর্ণ চা-বাগান

মুন্নারের আবহাওয়া আর চারপাশের পরিবেশ অনেকটা কাশ্মীরের মতোই মনোরম এবং সবুজে ঘেরা। এখানকার শান্ত স্নিগ্ধ কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস এক মায়াবী পরিবেশের মুহূর্ত তৈরি করে। এখানকার জীবনযাত্রা খুব ধীর গতির এবং শান্ত, যা পর্যটকদের ক্লান্তি দূর করে দেয়। মুন্নারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হল এর বিস্তীর্ণ চা-বাগান, যা পাহাড় জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। শুধু তাই নয় এখানকার স্থানীয় চা মিউজিয়াম ও কারখানাগুলোতে পর্যটকদের চা তৈরির প্রক্রিয়াও দেখানো হয়।

দেখা যাবে বিরল প্রাণী নীলগিরি তাহর

শুধু চা বাগান নয়, মুন্নারের অন্যতম আকর্ষণ হল ইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান। এই পার্কে বিরল প্রজাতির ‘নীলগিরি তাহর’ অনেকটা বুনো ছাগলের মত প্রাণীকে দেখা যায়। তবে সবার সৌভাগ্য হয় না এই প্রাণী দেখার। মুন্নারের প্রতিটি মোড়েই রয়েছে অসাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্য। কুয়াশার ভিতর দিয়ে পাহাড়ি পথে হাঁটার এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা তৈরি হবে। তাইতো কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়গুলো ফটোগ্রাফার ও প্রকৃতিপ্রেমীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে বরাবরই। এছাড়াও পাহাড়ের মাঝে শান্ত নীল জলরাশি উপভোগ করতে চাইলে মাত্তুপেট্টি ড্যামে আসতেই হবে। এখানকার জলে পাহাড়ের প্রতিফলন এক অপূর্ব চমক আনে। এখানে পর্যটকরা চাইলে বোটিং করতে পারে।

আরও পড়ুন: সুইচবোর্ডের সারাক্ষণ কেন জ্বলে লাল লাইট? জানুন আসল কারণ

আত্তুকাদ জলপ্রপাত হল মুন্নারের এক অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। বর্ষার সময় যেন এর রূপ আরও সুন্দর হয়ে ওঠে। এছাড়াও ইকো পয়েন্ট সেখানকার একটি আকর্ষণীয় স্থান, যেখানে দর্শনার্থীরা নিজেদের কণ্ঠস্বরের প্রতিধ্বনি পাহাড় জুড়ে শুনতে পাবেন। তাই পাহাড়ে ঘেরা এই শান্ত পরিবেশ কোনো অংশেই কম নয় কাশ্মীরের তুলনায়। তাইতো মুন্নারকে দক্ষিণ ভারতের কাশ্মীর বলে। বলা হয় মুন্নার যাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় হল সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ। কিন্তু যাঁরা বৃষ্টি ভালোবাসেন, তাঁরা বর্ষাকালে যেতে পারেন, তখন চারপাশ আরও বেশি সবুজ হয়ে ওঠে।

Leave a Comment