=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

পহেলগাঁও হামলার জঙ্গিরা কবে, কীভাবে ভারতে ঢুকল? মাস্টারমাইন্ড কে? প্রকাশ্যে আসল রহস্য

Pahalgam Attack

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গত 22 এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীর পহেলাগাঁওতে ঘটে গিয়েছিল এক নৃশংস জঙ্গি হামলা (Pahalgam Attack)। সেই হামলায় 26 জন হিন্দু পর্যটক প্রাণ হারিয়েছিল। আর এই ঘটনা নিয়েই দেশজুড়ে শুরু হয় তীব্র আলোচনা। ভারতের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ তদন্তে এবার অবশেষে সেই রক্তাক্ত ঘটনার পেছনে আসল রহস্য উঠে আসলো।

সম্প্রতি অপারেশন মহাদেবের জেরে নিহত হয়েছে তিন জঙ্গি। আর এই তিনজনই পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈবা সংগঠনের সদস্য ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তারা হলেন সুলেমান শাহ ওরফে ফয়জল জাট, আবু হামজা ওরফে আফগান এবং ইয়াসির ওরফে জিবরান। আর এদের প্রত্যেকেই পাকিস্তানের নাগরিক এবং A++ ও Aক্যাটাগরির তালিকাভুক্ত জঙ্গি।

তারা কবে, কীভাবে ভারতে ঢুকল?

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট বলছে, এই তিন জঙ্গি 2022 সালের মে মাস নাগাদ গুরেজ সেক্টর দিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে কাশ্মীরে প্রবেশ করেছিল। তারপর তারা পহেলগাঁওয়ের এক পাহাড়ি কুঁড়েঘরে লুকিয়ে ছিল। এমনকি তাদের আশ্রয় দিয়েছিল 2 স্থানীয় সহযোগী পারভেজ ও বশির আহমেদ জাঠার। রেডিও সিগন্যাল ট্রাক করেই গোয়েন্দারা এদের উপর নজরদারি করছিল। তবে প্রতিকূল পরিবেশ ও নিরাপত্তার কারণে তখন অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। অবশেষে 28 জুলাই দাচিগাম অরণ্যে সফলভাবে এই অভিযান চালানো হয়, আর সেখানেই নিকেশ হয় তিন জঙ্গি। 

অভিযানে কী কী প্রমাণ মিলল?

এই অভিযানে যে সমস্ত প্রমাণ উঠে এসেছে, তা শুধু ভারতের জন্য নয়, বরং গোটা বিশ্বের টনক নাড়িয়ে দেওয়ার মতো। প্রথমত, নিহত দুই জঙ্গির কাছ থেকে ভোটার আইডি কার্ড পাওয়া গিয়েছে, যেগুলি পাকিস্তানের লাহোর ও গুজরানওয়ালা থেকে ইস্যু করা। দ্বিতীয়ত, একটি স্যাটেলাইট ফোন পাওয়া গিয়েছে, যাতে NADRA-র বায়োমেট্রিক ডেটা রয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ গঙ্গাস্নান করতেও লাগছে টাকা! নিমাইতীর্থ ঘাটে ভক্তদের কাছ থেকে তোলা? ভাইরাল ভিডিও

আর সেখানেই তাদের স্থানীয় ঠিকানা উল্লেখ ছিল। হ্যাঁ, তাঁদের ঠিকানা যথাক্রমে কাসুর জেলা ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (PoK)। তৃতীয়ত, এই অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে খাবার ও চকলেট, যেগুলিতে পাকিস্তানি লট নাম্বার এবং 2024 সালে মুজাফফরাবাদে পাঠানো শিপমেন্টের ছাপ রয়েছে।

তবে তদন্তে উঠে এসেছে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। এই হামলার মূল চক্রী ছিল লস্কর-ই-তৈবার অপারেশনাল প্রধান সাজিদ সাইফুল্লাহ জাট। এদিকে রাওয়ালকটের বাসিন্দা রিজওয়ান আনিস নিহত জঙ্গিদের সৎকারেরও আয়োজন করেন। আর এই ঘটনাই প্রমাণ করছে যে, পাকিস্তানের জঙ্গিরা কীভাবে ভারতে এসে আক্রমণের জন্য ওঁত পেতে বসেছিল। (Source: News 18)

Leave a Comment