বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পিতৃহারা হলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই দুঃখের পাহাড় নেমে এল ফুটবলারের জীবনে। জানা যাচ্ছে, আর্জেন্টিনার রোজারিওর একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি। সেখানেই, মৃত্যুবরণ করলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের জন্মদাতা। মৃত্যুকালে মেসির বাবার বয়স হয়েছিল 68 বছর। সূত্রের খবর, অসুস্থতা জনিত কারণেই না ফেরার দেশে গমন করেছেন হোর্হে।
মাথার ছাদ হারালেন লিও
আর্জেন্টিনার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার রাতে বাড়ির কাছেই রোজারিওর ওই ক্লিনিকেই স্থানীয় সময় প্রায় দশটার দিকে মৃত্যু হয়েছিল লিওনেল মেসির বাবার। আর সেই ঘটনায় একেবারে সুখের ছায়া নেমে এসেছে মেসির পরিবারে। ইতিমধ্যেই লিওর পিতৃবিদায়ে শোক জ্ঞাপন করেছেন বহু প্রাক্তন ফুটবলার। শোক প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কয়েকজন প্লেয়ারও।
বলাই বাহুল্য, ছেলে মেসির লিওনেল মেসি হয়ে ওঠার নেপথ্যে অনেক বড় অবদান রয়েছে বাবা হোর্হে মেসির। ছেলের জীবনে নায়ক ছিলেন তিনি। ফুটবল মাঠে শুরুর দিন থেকে শুরু করে সেরা ফুটবলার হয়ে ওঠা পর্যন্ত মেসির পাশেই ছিলেন বাবা হোর্হে। সব ক্ষেত্রেই ছেলেকে পূর্ণ সমর্থন করেছিলেন তিনি। জানা যায়, মেসির হয়ে বিভিন্ন ক্লাব ও সংস্থার সাথেও কথা বলতেন তাঁর বাবাই। ছেলের ব্যবসায়িক দিকটাও নিজেই দেখতেন তিনি। এহেন একজন ব্যক্তিত্বের চলে যাওয়া মেসির জীবনে যে কতটা অন্ধকার নামিয়ে আনল সে কথা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।
অবশ্যই পড়ুন: হারিয়েছিল টিম ইন্ডিয়াকে, সেই আয়ারল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে ODI বিশ্বকাপে জায়গা পেল ভারতের বন্ধু
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে স্পেনের কাছে হারের পর মাঠেই কেঁদে ভাসিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। এরপর অবশ্য মাঝে আর্জেন্টিনায় নিজের শহরে একপ্রকার মুখ লুকিয়ে স্টেডিয়ামে স্থানীয় একটি ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন লিও! তাছাড়া সম্প্রতি স্পেনের ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে 80 হাজার ইউরো দান করেছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার।