=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ফরেক্স রিজার্ভে বিরাট পতন! এক মাসেই খোয়া গেল ৫০ বিলিয়ন ডলার

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার (Forex Reserves) ভাণ্ডারে ফের পতন। টানা চার সপ্তাহ ধরে কমতে কমতে দেশের ফরেক্স রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৭৩৪.৬ বিলিয়ন ডলারে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার বিবৃতির একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

৫০ বিলিয়ন ডলার পতন

পরিসংখ্যান বলছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভারতের ফরেক্স রিজার্ভ ছিল ৭৮৫.৭১ বিলিয়ন ডলার। সেটিই ছিল সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ স্তর। সেখান থেকে এক মাসেরও কম সময়ে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার কমেছে রিজার্ভ।

৪ সেপ্টেম্বর ৭৮৫.৭১ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড স্তরে পৌঁছনোর পর থেকেই দেশের ফরেক্স রিজার্ভের পতন শুরু হয়। ১১ সেপ্টেম্বর সপ্তাহের শেষে তা কমে প্রায় ৪.৯২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছয়। পরের সপ্তাহে, ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, আরও ১৪.৮৮ বিলিয়ন ডলার কমে রিজার্ভ দাঁড়ায় ৭৬৫.৯ বিলিয়ন ডলারে। ২৫ সেপ্টেম্বর পতন আরও বেড়ে যায়। ওই সপ্তাহে কমে হয় ১৮.৩৪ বিলিয়ন ডলার। এরপর ২ অক্টোবর আরও প্রায় ১২.৯৬ বিলিয়ন ডলার কমে রিজার্ভ নেমে আসে ৭৩৪.৬ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ, চার সপ্তাহে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার থেকে মোট প্রায় ৫১ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি হয়েছে।

মূলত রুপির উপর অত্যধিক চাপ কমাতে বাজারে ডলার বিক্রি করছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সোয়াপের মাধ্যমেও বাজারে টাকার অতিরিক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের হস্তক্ষেপের পরেও রুপির পতন পুরোপুরি ঠেকানো যায়নি।

আরও পড়ুন: বেতন ২৯ হাজার, মাধ্যমিক পাশে ভারতীয় কোস্ট গার্ডে নিয়োগ, শুরু আবেদন

চড়া অপরিশোধিত তেলের দাম, মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের বাড়তি ইয়িল্ড এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ভারতীয় শেয়ার থেকে টাকা তুলে নেওয়া সব মিলিয়ে তৈরি হওয়া এই ভারসাম্যহীন পরিস্থিতিতে রুপির উপর চাপ আরও বেড়েছে। বুধবারও প্রায় ০.৫ শতাংশ পড়ে এক ডলারের দাম হয়েছে ৯৬.৮৪৫০ টাকা। ফলে রুপির সর্বকালীন সর্বনিম্ন ৯৬.৯৬-এর খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।

Leave a Comment