ফুলিয়ার বিডিও অফিসের মাটি খুঁড়ে উদ্ধার রহস্যজনক সিন্দুক, কী কী মিলল?

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: শান্তিপুরের ফুলিয়া (Fulia) বিডিও অফিসে রহস্য। পুরনো পরিত্যক্ত অফিসের এক অন্ধকার ঘর থেকে উদ্ধার রহস্যজনক সিন্দুক। এতদিন নজরে আসেনি কারও। তবে সেই ঘর সংস্কার করতে গিয়েই চক্ষু চড়কগাছ সকলের। মাটির গভীরে পুঁতে রাখা মোটা লোহার শিকল দিয়ে বাঁধা ওই গুপ্তধন। এমনকি সেটিকে পাহারা দিয়ে রেখেছে বিষধর সাপ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। কিন্তু কী পাওয়া গেল ওই সিন্দুকের ভিতর থেকে?

ফুলিয়ার বিডিও অফিসে রহস্যজনক সিন্দুক

শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়ার পুরনো বিডিও অফিসে দীর্ঘদিন ধরেই পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল একটি ঘর। চারদিকে ধুলো আর জঙ্গলে কার্যত ছেয়ে গিয়েছিল সরকারি ওই পুরোনো অফিস। তবে রবিবার সকালে সেটিকে সংস্কার করার জন্য কিছু লোক সেখানে যেতেই দেখা যায় মাটির ভিতরে কিছু একটা পোঁতা রয়েছে। প্রথমে কেউ কিছু বুঝে উঠতে পারেনি। তবে পরে জঞ্জাল পরিষ্কার করে দেখা যায় সেটি আসলে একটি সিন্দুক। এমনকি সেটি মোটা লোহার শিকল দিয়ে বাঁধা। সবথেকে বড় ব্যাপার, ওই সিন্দুকের পাশে ছিল একটি বিষধর গোখরো সাপ।

ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় জমে ওই বিডিও অফিস এলাকায়। সেখানে উপস্থিত হন সংশ্লিষ্ট বিডিও আধিকারিক থেকে শুরু করে বন দফতরের কর্মকর্তারা। এমনকি বাসিন্দাদের মনে কৌতুহল জন্মায় যে সিন্দুকটির ভিতরে কি পুরোনো দিনের কোনও গুপ্তধন রয়েছে? সেই উত্তর জানতেই স্থানীয়রা সিন্দুকটিকে মাটি খুঁড়ে তোলার চেষ্টা করে। কিন্তু তা সম্ভব হয় না। 

আরও পড়ুন: আজ কাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা, রইল বড় আপডেট

শেষমেষ একটি লোহা কাটারি নিয়ে এসে প্রথমে ওই সিন্দুকটির লোহার শিকল কাটার তোড়জোড় শুরু হয়। তারপর ধীরে ধীরে সিন্দুকটি কাটলে সামনে আসে আসল রহস্য। সেটি খুললে দেখা যায় যে তার ভিতরে শুধুমাত্র মাটি আর কিছু পুরনো দিনের কাগজপত্র রয়েছে। ভিতরে নেই কোনও সোনা-দানা কিংবা গুপ্তধন। তবে কীভাবে এই সিন্দুকটি এখানে এল, সেটি কত বছরের পুরনো তা স্পষ্ট নয়। যদিও স্থানীয়দের ধারণা, হয়তো বহু বছর আগে বিডিও অফিসের কোনও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি বা পুরনো কাগজপত্র নিরাপদে রাখার জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

Leave a Comment