=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বই নিয়ে বচসার জের, কলকাতার সাউথ পয়েন্ট স্কুলে পড়ুয়ার গলায় ছুরির কোপ সহপাঠীর

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: কলকাতার (Kolkata) একটি প্রথম সারির বেসরকারি স্কুলে (Private School) দুই সহপাঠীর বিবাদকে কেন্দ্র করে ঘটে গেল এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। নবম শ্রেণির এক পড়ুয়ার (School Student) বিরুদ্ধে তারই এক বন্ধুর গলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আহত পড়ুয়ার গলা ও বাঁ হাতের আঙুলে চোট লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কী বলছে স্কুল কর্তৃপক্ষ?

সাউথ পয়েন্ট স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, দুই পড়ুয়ার মধ্যে কী নিয়ে গোলমাল হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে হামলার আগে অভিযুক্ত পড়ুয়া বিষয়টি নিয়ে পড়াশোনা করেছিল বলেও স্কুলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে। কোন শিরায় আঘাত লাগলে কী ধরনের বিপদ হতে পারে এবং নাবালক হলে আইনি প্রক্রিয়া কীভাবে এগোয়, এ ধরনের বিষয় নিয়ে সে খোঁজখবর নিয়েছিল বলে স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি। এই দাবির সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

ক্লাসরুমেই ঘটল হামলার অভিযোগ

ঘটনার সময় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আহত পড়ুয়ার রক্তপাত শুরু হলে দ্রুত তাকে স্কুলের ইনফার্মারিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নার্সরা প্রাথমিক চিকিৎসা করেন। এরপর স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক ও কর্মীরা তাকে বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। আহত পড়ুয়ার পরিবারের সদস্যদেরও ঘটনার কথা জানানো হয়। পরে তাঁর বাবা-মা হাসপাতালে পৌঁছন। স্কুলের বক্তব্য, পড়ুয়ার শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখা হচ্ছে এবং পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগ ওঠার পরই নবম শ্রেণির ওই পড়ুয়াকে ক্লাসরুম থেকে সরিয়ে নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরে স্কুলের মনোবিদরা তার সঙ্গে কথা বলেন এবং কাউন্সেলিং করেন। এরপর তার বাবা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনার জেরে স্কুলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কী কারণে দুই সহপাঠীর মধ্যে বিবাদ শুরু হয়েছিল, ধারাল অস্ত্রটি কীভাবে স্কুলে এল এবং হামলার ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটল এই বিষয়গুলিই এখন তদন্তের আওতায়।

আরও পড়ুন: বন্ধ ১৪ কেজির কানেকশন, ভর্তুকিহীন সিলিন্ডার নিতে ঘাম ছুটছে মধ্যবিত্তের

ঘটনার পর গড়িয়াহাট থানায় রিপোর্ট করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে এই মুহূর্তে প্রকাশ্যে আসা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সম্পূর্ণ কারণ বা হামলার পূর্বপরিকল্পনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়নি। নাবালক অভিযুক্তের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়াও বয়স ও অভিযোগের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট অনুযায়ী ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সি কোনও শিশুর বিরুদ্ধে ‘heinous’ অর্থাৎ গুরুতর অপরাধের অভিযোগ থাকলে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রিলিমিনারি অ্যাসেসমেন্ট করতে পারে।

Leave a Comment