বর্ষায় ঘুরে আসুন ঘিস ও চেল নদীতে ঘেরা ‘মানাবাড়ি’ থেকে, ভুলে যাবেন স্ট্রেস

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ভরা বর্ষার কবলে বাংলা। বৃষ্টি, ঝড় দেখে মন উদাসীন হয়ে গিয়েছে আপনারও? দুদিনের ছুটিতে কাছেপিঠে কোথাও ঘুরতে যেতে মন চাইছে? তাহলে আপনি একদম ঠিক জায়গায় এসেছেন। আজ আপনাদের এমন এক সুন্দর একদম অফবিট জায়গার সন্ধান দেব যেখানে গেলে আপনার মন এক লহমায় ভালো হয়ে যাবে। মন খারাপ একদম কর্পূরের মতো উবে যাবে। অনেকেই বর্ষায় পাহাড়ে যাওয়ার কথা শুনলেই আঁতকে ওঠেন। নানা রকম ঝুঁকির জন্যই মূলত এই আঁতকে ওঠা। তবে চিন্তা নেই, আজ আপনাদের পাহাড়ের এমন এক জায়গার খোঁজ দেব যেখানে আপনার ভালোই লাগবেই। বর্ষায় ঘুরে আসতে পারেন ডুয়ার্সের অফবিট মানাবাড়ি (Manabari)।

বর্ষায় ঘুরে আসুন মানাবাড়ি

মানাবাড়ি হল ডুয়ার্সের একদম অফবিট জায়গা। গতানুগতিক গরমের ছুটি এবং পুজোর ছুটিতে পাহাড় ভ্রমণ তো অনেক হলো এবার ঘোর বর্ষায় আপনার গন্তব্য ডুয়ার্সের এই জায়গাটি করতে পারেন। অনেকেই আছেন যারা বর্ষার সময়ে পাহাড়ে ঘুরতে পছন্দই করেন। আপনিও যদি তাঁদের মধ্যে হন তাহলে এই জায়গা আপনার মনে আলাদাই জায়গা করে নিতে বাধ্য। হৈ হুল্লোড় করে প্রচুর ঘোরার জন্য নয়, বরং দুদিন নিখাদ বিশ্রাম নিতে যাওয়ার জন্য এই জায়গা একদম পারফেক্ট।

এখানে দুদিকে ১৫-২০ মিনিটের দূরত্বে ঘিস ও চেল নদী, হেঁটেই যাওয়া যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেই নদীর জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকতে পারেন। সে এক স্বর্গীয় অনুভূতি এক কথায়। ভেবে দেখুন, রিসোর্টে বসে আছেন, বাইরে অঝোরে বৃষ্টি পড়বে সঙ্গে চা বা কফি এবং একটু ম্যাগি। উফফ ব্যাপারটা পুরো জমে ক্ষীর হওয়ার মতো না? পাখির গান আর মেঘ ভেঙে নেমে আসা কুয়াশার চাদর গায়ে মেখে অলসভাবে দুটো দিন কাটিয়ে দেওয়া যায় অনায়াসেই। এছাড়াও এখানে রয়েছে বেশ কিছু চা বাগান যা আপনার ভ্রমণের আনন্দকে আরও দ্বিগুণ করতে যথেষ্ট।

কীভাবে যাবেন?

এনজেপি থেকে মানাবাড়ির দূরত্ব বড়জোর ঘণ্টা দেড়েকের। একটি গাড়ি বুক করে গরুবাথান সহযোগে অনায়াসেই ঘুরে আসতে পারেন মানাবাড়ি থেকে।

Leave a Comment