বহরমপুরের সাংসদ পদ ছাড়তে বলেছেন মমতা? অবশেষে জানিয়ে দিলেন ইউসুফ পাঠান

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে লজ্জার পরাজয়ের পর তৃণমূল দলটার (Trinamool Congress) অবস্থা একেবারে শোচনীয় হয়ে পড়েছে! মুখে মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী বললেও 58 জন জয়ী বিধায়ককে ভাঙিয়ে বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে একে একে তৃণমূলের অন্যান্য বিধায়ক থেকে শুরু করে কাউন্সিলর এমনকি চেয়ারম্যানরাও মমতার দল থেকে হাত গুটিয়ে নিচ্ছেন! ঠিক এমন পরিস্থিতিতে, জল্পনা বেড়েছিল বহরমপুর আসন থেকে নাকি সাংসদ ইউসুফ পাঠানকে (Yusuf Pathan) পদত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার সেই খবর নিয়েই মুখ খুললেন খোদ সাংসদ তথা প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার।

বহরমপুর আসন ছাড়তে বলা হয়েছে ইউসুফকে?

বহরমপুর আসনে সাংসদ পদ থেকে ইউসুফ পাঠানকে ইস্তফা দিতে বলেছে খোদ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব! এমন জল্পনায় আর চুপ করে থাকতে পারেননি ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ। সদ্য একটি ভিডিও বার্তায়, গোটা বিষয়টি খোলসা করেছেন পাঠান। ভিডিওতে ইউসুফ পাঠান একেবারে স্পষ্ট করে জানান, “বহরমপুরের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিতে হবে এমন নির্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে দেননি। তৃণমূলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্বের তরফেও এমন কথা বলা হয়নি। এই ধরনের খবর পুরোপুরি ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। এই ধরনের খবর নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং নিউজ চ্যানেলে ডিবেট হচ্ছে।”

বলাই বাহুল্য, বহরমপুরের তৃণমূল সাংসদদের পদত্যাগের বিষয়টিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির নাম। ইউসুফ পাঠানোর আগেই তা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন দাদা। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক জানিয়েছিলেন, ওই প্রতিবেদনে তাঁকে জড়িয়ে যে সমস্ত দাবি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ইউসুফ পাঠানের কাছে কোনও বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেননি।। তাঁর সাথেও পাঠানের যোগাযোগ হয়নি।

 

অবশ্যই পড়ুন: ‘আমি খুব …’ শ্রেয়স আইয়ার অধিনায়ক হতেই মুখ খুললেন সূর্যকুমার

উল্লেখ্য, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর পরই মমতার পাশ থেকে একে একে সরে যাচ্ছেন একসময়ের বিশ্বস্ত ব্যক্তিরাই! ঋতব্রতর সমর্থনকারীদের তালিকায় রয়েছেন এমন অনেকেই। আর তা নিয়েই যথেষ্ট আপত্তি রয়েছে তৃণমূলের একসময়ের সৈনিক তথা আমজনতা উন্নয়ন পার্টির স্রষ্ঠা হুমায়ূন কবীরের। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতীয় রাজনীতিতে একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র! তাঁর সাথে এমনটা হচ্ছে দেখে প্রচণ্ড খারাপ লাগছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি চান তবে তিনি রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে মমতার হয়ে প্রচার করে তাঁকে জিতিয়ে বিধানসভায় নিয়ে যেতে পারেন।

Leave a Comment