=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বাবার ১০ কোটি টাকার সম্পত্তির লোভে সুপারি কিলার দিয়ে মাকে খুন মেয়ের

অনন্যা সরকার, জয়পুর: বাবার বিপুল সম্পত্তি একা ভোগ করার লোভে মাকেই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিলেন তরুণী (Murder Case)। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের জয়পুরে। বাবা মারা যাওয়ার পর তার সরকারি চাকরিটি জোটে মায়ের কপালে, সেখান থেকে নিজেকে বঞ্চিত ভাবতে শুরু করেন। বাবার রেখে যাওয়া ১০ কোটি টাকার সম্পত্তির কানাকড়িও যাতে মা ভোগ করতে না পারেন, তাই মেয়েই খুন করে বসলেন মাকে। এই ঘটনাকে প্রথমে দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা হয়েছিল তবে শেষমেষ ধরা পড়ে ওই তরুণী ষড়যন্ত্র। 

 মাকে ‘সুপারি’ দিয়ে খুন

অভিযুক্ত আয়ুষি শর্মা জয়পুরের এয়ারপোর্ট কলোনির বাসিন্দা। আয়ুষির বাবা বিজয় শর্মা ছিলেন সরকারি চাকুরে। বছরখানেক আগে তার মৃত্যু হওয়ায় স্ত্রী নীরজ শর্মা তার চাকরিটি পান। পুলিশের তরফ থেকে জানা গেছে, বাবার চাকরিটা মেয়ে আয়ুষি করতে চেয়েছিল। কিন্তু মা তাকে প্রস্তাব না দিয়েই নিজেই চাকরিটি নিয়ে নেন। এই ঘটনা থেকেই মায়ের উপরে আক্রোশ জন্মায় মেয়ের। নীরজ শর্মার বিশেষভাবে সক্ষম এক ছেলেও রয়েছে। একই সাথে চাকরি ও দুই সন্তানের দেখভাল করতেন তিনি। 

এদিকে, বাবার চাকরি না পেয়ে তাঁর রেখে যাওয়া ১০ কোটি টাকার সম্পত্তি হাতানোর ষড়যন্ত্র ছকে ফেলেন আয়ুষি শর্মা। আর এই ষড়যন্ত্রে কাকা এবং খুড়তুতো ভাই বলরামকেও সঙ্গী করে সে। আয়ুষি তাদেরকে ১০ কোটি টাকার সম্পত্তির ভাগ দেওয়ার লোভ দেখান বলে অভিযোগ উঠেছে। নিজের বাড়ি ছেড়ে কাকার বাড়িতে গিয়ে থাকতে শুরু করেন। কাকা ও খুড়তুতো ভাইকে বলেছিলেন যদি তারা মাকে সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারে, তাহলে অর্ধেক সম্পত্তি বলরামের নামে করে দেবেন তিনি। 

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, তার পরেই তিনজনে মিলে নীরজকে খুন করার পরিকল্পনা শুরু করেন। মেয়ের আচার-আচরণ দেখে সন্দেহ হয় নীরজের। রোজ ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে নীরজ অফিসে যেতেন। এক মাস ধরে তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেন আয়ুষিরা। তারা দেখেন প্রতিদিন নীরজ হেঁটেই অফিস থেকে বাড়ি ফেরেন। আর তারা তাদের হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এই সময়টাকেই বেছে নেয়। 

অভিযোগ করা হয়েছে, মাকে খুন করার জন্য ভাড়াটে খুনিকে ৭ লক্ষ টাকা সুপারি দেন আয়ুষি। তার পরিকল্পনা ছিল চলন্ত গাড়ির তলায় পিষে নীরজকে হত্যা করা হবে। আর এমনভাবে ঘটনাটিকে সাজাতে হবে, যাতে দেখে মনে হয় এটা দুর্ঘটনা। পরিকল্পনামাফিক হরিয়ানা থেকে খুনি ভাড়া করেন আয়ুষি। গত ৪ জুলাই অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন নীরজ। সেই সময় একটি গাড়ি নিয়ে ভাড়াটে খুনিরা তাকে ধাক্কা মেরে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যায়। সজোরে ধাক্কা খেয়ে ১০০ ফুট দূরে ছিটকে পড়েন নীরজ। ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। 

আরও পড়ুনঃ বাবার ১০ কোটি টাকার সম্পত্তির লোভে সুপারি কিলার দিয়ে মাকে খুন মেয়ের

এবার শুরু হয় মেয়ের অভিনয়। ঘটনাস্থল থেকে মামাকে ফোন করেন আয়ুষি। কাঁদতে কাঁদতে জানান মায়ের দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু তার মামার সন্দেহ হওয়ায় তিনি পুলিশকে পুরো বিষয়টি জানান। পুলিশ সেই জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এবং সেখান থেকে সন্দেহ আরও বাড়ে। ফুটেছে দেখা যায়, নীরজ রাস্তার ধার দিয়েই হাঁটছিলেন, তাই দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। কিন্তু তাও একটি গাড়ি পিছনদিক থেকে এসে একদম নীরজের ওপর দিয়ে চলে যায়, যা ইচ্ছাকৃত বলেই ধারণা করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে আয়ুষিকেও দেখা যায়। তাই তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। জেরার মুখে পড়ে অপরাধ স্বীকার করেন আয়ুষি। তার পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

Leave a Comment