=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বাহারি শালুক আর রংবেরঙের পাখির মেলা, বর্ষায় ঘুরে আসুন পুরুলিয়ার ফুটিয়ারি ড্যাম

অনন্যা সরকার, কলকাতা: হাতে দুই-তিন দিনের ছুটি রয়েছে? কিংবা সপ্তাহান্তে ঘুরে আসতে চাইছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা কোনও নিরিবিলি জায়গা থেকে? তাহলে পুরুলিয়ায় ফুটিয়ারি বাঁধ (Futiyari Dam) আপনার জন্য আদর্শ জায়গা হতে পারে (Offbeat Tour)। পুরুলিয়ায় অযোধ্যা, জয়ন্তীর মতো পরিচিত পাহাড়ের পাশাপাশি পুরুলিয়ায় রয়েছে তিলাবানি পাহাড়। এই পাহাড়ের পাদদেশেই গড়ে উঠেছে কলাবনি ও লধুড়কার নামের ছোট ছোট গ্রাম। এদের মাঝখান দিয়ে এঁকেবেঁকে বয়ে চলেছে ফুটিয়ারি নদী। আর নদীর ওপর তৈরি হয়েছে ফুটিয়ারি বাঁধ। এই অঞ্চলকে তিন দিক থেকে আগলে রেখেছেন তিলাবনি, পাঞ্জোনিয়া ও সিন্দুরপুর পাহাড়। নদী বাঁধের সৌন্দর্য ও প্রকৃতির কোলে নির্জন পরিবেশের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পর্যটকরা ফুটিয়ারিতে প্রায়ই ভিড় জমান। আসুন তাহলে এখানে কী কী দেখবেন এবং কীভাবে যাবেন জেনে নেওয়া যাক। 

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ফুটিয়ারি 

এই বাঁধের জলে গোলাপি ও সাদা শালুক ফুল ফুটে থাকতে দেখা যায়, শীতকালে এই অঞ্চলই নানা রঙের অসংখ্য পাখির মিলনমেলায় পরিণত হয়। প্রকৃতিপ্রেমী এবং নেচার ফটোগ্রাফারদের জন্য আদর্শ স্থান এই ফুটিয়ারি বাঁধ। শুধু মাছরাঙা বা টিয়া নয়, ভাগ্য ভালো থাকলে আপনার দেখা হয়ে যেতে পারে নীলকন্ঠ, জলমুরগির, শামুকখোলের মতো নানা প্রজাতির পাখির। পুরুলিয়ার এই অঞ্চলেও প্রচুর পরিমানে পলাশ, মহুয়া, শাল, সেগুনের মতো গাছপালা দেখা যায় এবং ফুটিয়ারি বাঁধে দাঁড়িয়েই উপভোগ করা যায় এই সবুজের সমারোহ। 

ফুটিয়ারি বাঁধের পাড় ধরে কেবলই হেঁটে অনেকটা সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়। এছাড়া, ড্যামে বোটিংয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে। ফুটিয়ারি থেকে দ্বারকেশ্বর নদীর উৎপত্তিস্থল দুর্গাসিংডাঙ্গা ঘুরে আসতে পারেন। শীতকালে নদীটি শুকিয়ে গেলেও বর্ষাকালে এটি ব্যাপক আকার ধারণ করে। আষাঢ় থেকে চৈত্র মাস ফুটিয়ারি ভ্রমণের সেরা সময়। এখানে ঘুরতে গেলে আশেপাশের মধ্যে  জয়চণ্ডী পাহাড়, কুসুমজরিয়ার মহুয়া বন, রাকাব বন, গড় পঞ্চকোট, কাশীপুর রাজবাড়ি,, বড়ন্তি বাঁধ, হাতিমারা গ্রাম এবং মিনি সুন্দরবনের মতো অনেক এলাকাই। এছাড়া, এখান থেকেই বান্দোয়ানের দুয়ারসিনি বা অযোধ্যা পাহাড় ভ্রমণেও যেতে পারেন। বর্ষণমুখর দিনে বৃষ্টি ভেজা পুরুলিয়ার সৌন্দর্য মানুষের স্মৃতিতে চিরস্থায়ী ছাপ ফেলে। তাই এক অনন্য অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে এই রাঢ় অঞ্চলের বর্ষণসিক্ত প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে একবার ঘুরে আসতেই পারে ফুটিয়ারি বাঁধ। 

আরও পড়ুন: শান্ত সবুজের মাঝে কুলকুল করে বইছে জলধারা, বর্ষায় ঘুরে আসুন ওড়িশার খাম্বেশ্বরী জলপ্রপাত

কীভাবে যাবেন?

খুব সহজেই ট্রেন, বাস বা নিজস্ব গাড়িতে পুরুলিয়ার এই অঞ্চলে পৌঁছানো যায়। রেলপথে এলে আদ্রা বা পুরুলিয়া স্টেশনে নামতে হবে। আদ্রা থেকে ফুটিয়ারি বাঁধের দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার, যে পথ গাড়ি ভাড়া করে আসা যায়। এছাড়া সড়কপথে মাত্র পাঁচ ঘণ্টাতেই সরাসরি গাড়ি/বাসে করে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে এই বাঁধের কাছে পৌঁছানো যাবে। এই অঞ্চলে থাকার জন্য অনেক হোটেল ও রিসোর্ট পেয়ে যাবেন। 

Leave a Comment