=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বিয়ের জন্য ছেলেদের নূন্যতম আয় দরকার ২৫ লক্ষ! রিপোর্টে চমক

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: ভারতবর্ষের মতো দেশে বিবাহ (Marriage) বিষয়টিকে এখনও জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে সময় যত এগিয়েছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলেছে মানুষের ভাবনাচিন্তা এবং প্রত্যাশা। একসময় বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্রের চাকরি, দুই পক্ষের জাতি-ধর্ম, পরিবার কিংবা সামাজিক অবস্থানকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হত। তবে বর্তমানে বিশেষ করে শহুরে পেশাজীবীদের মধ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এমনই একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতের টেক পেশাজীবীদের একটি বড় অংশ মনে করেন, বিয়ের জন্য পুরুষের বার্ষিক আয় অন্তত ২৫ লক্ষ টাকা হওয়া প্রয়োজন।

কী বলছে সমীক্ষার ফল?

৪ থেকে ১১ অগাস্টের মধ্যে ভারতে কর্মরত ১,৪৭৩ জন পেশাজীবীর উপর এই সমীক্ষাটি চালানো হয়। তাঁদের প্রায় ৭৮ শতাংশই বর্তমানে বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত। ফলে এই ফলাফলকে গোটা দেশের মানুষের মতামত হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না। সমীক্ষা অনুযায়ী, ৫৫ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, কোনও পুরুষের বার্ষিক আয় ২৫ লক্ষ টাকা বা তার বেশি হলে তাঁকে বিয়ের জন্য আর্থিকভাবে প্রস্তুত বলা যায়। অবিবাহিতদের মধ্যে এই মত আরও বেশি দেখা গিয়েছে। তাঁদের প্রায় ৬৯ শতাংশ ২৫ লক্ষ টাকাকে একটি ছেলের ন্যূনতম আয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিবাহিতদের মধ্যে এই মত দিয়েছেন ৪৮ শতাংশ। আবার প্রায় ২৯ শতাংশের মতে, বার্ষিক আয় ৫০ লক্ষ টাকা হলে তবেই তাকে বিয়ের জন্য প্রস্তুতি বলে মানা যায়।

আয়ের বিষয়টি নিয়ে নারী ও পুরুষের মতামতের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য দেখা যায়নি। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬৭ শতাংশ মহিলা এবং ৫৯ শতাংশ পুরুষ মনে করেছেন, বিয়ের ক্ষেত্রে পুরুষের বার্ষিক আয় অন্তত ২৫ লক্ষ টাকা হতেই হবে। তবে প্রকৃতপক্ষে বছরে ৫০ লক্ষ টাকা আয় করা মানুষের সংখ্যা এই দেশে খুবই কম। আয়কর রিটার্নের তথ্য অনুযায়ী, ৫০ লক্ষ টাকা আয় করেন এমন করদাতার সংখ্যা ১ শতাংশের সামান্য বেশি। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, বিয়ের ক্ষেত্রে মানুষের প্রত্যাশা এবং বাস্তবে তাদের আয়ের মধ্যে আকাশ পাতাল ফারাক।

আরও পড়ুন: BRICS দেশের সাথে ব্যবসা করে ক্ষতি? আমদানি বাড়লেও কমল ভারতীয় পণ্যের রপ্তানি

বিয়েতে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে। অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ৫১ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের এবং পরিচিত মানুষজনের ক্ষেত্রেও বিয়েতে মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে টাকা, গয়না, গাড়ি, সম্পত্তি ইত্যাদি দিতে দেখেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ তো ২৫ লক্ষ বা তার বেশি অর্থ ও সম্পত্তি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন। প্রায় ১০ শতাংশের ক্ষেত্রে অঙ্কটি ছিল ১ কোটি টাকা। যৌতুক দেওয়া নেওয়ার প্রসঙ্গে ৬৭ শতাংশ মহিলা এবং ৫০ শতাংশ পুরুষ নির্দ্বিধায় ‘হ্যাঁ’ বলেছেন। উল্লেখ্য, ভারতে পণ নেওয়া বা দেওয়া আইনত নিষিদ্ধ এবং দেহেজ নিষেধ আইন, ১৯৬১ অনুযায়ী এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

Leave a Comment