=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বিরোধী দলনেতা কার বিরোধী, বিজেপি নাকি মমতা তৃণমূলের? জানিয়ে দিলেন ঋতব্রত

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। অথচ শাসক দলের চেয়ে নিজের দলের ভিন্ন শিবিরকেই বেশি বিরোধিতা করতে দেখা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Ritabrata Banerjee)। যে তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধানসভায় যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন, সেই তৃণমূল থেকেই বিচ্যুত হয়ে, বলা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ত্যাগ করে তাঁর নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে নব্য তৃণমূল (বর্তমানে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস)। সেই কারণে জোড়াফুল প্রতীক পর্যন্ত হারাতে হয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। তবে বিরোধী দলনেতা আদতে কার বিরোধী, তা অকপটে জানালেন এক সংবাদমাধ্যমকে।

বিজেপি নাকি মমতা, কার বিরোধী ঋতব্রত?

শহরের প্রথম সারির এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করেন, “আপনি বিরোধী দলনেতা, কিন্তু কার বিরোধী? শাসকের নাকি মমতা তৃণমূলের?” উত্তরে ঋতব্রত বলেন, “অবশ্যই শাসকের বিরোধী। তবে এটা বলা দরকার, অবশ্যই আমরা বিরোধী এবং সেটা ঘটনাক্রমে প্রমাণিত, আমরা নিশ্চয়ই তাতে আলোচনার মাধ্যমে আসবো। কিন্তু অপজিশন মানে একেবারে চোখ বন্ধ করে কোনও কিছু ভালো হলেও, সেটা চোখ বন্ধ করে বিরোধিতা করব, না সেটা করব না। সেটা করছিও না।”

বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, “যেটা ভালো, আমার পছন্দ হোক মানে আমার পলিটিক্যাল বা আমাদের পলিটিক্যাল লাইনের সঙ্গে সেটা ম্যাচ করুক, না করুক, ভালোটা ভালো। ভালোটাকে ভালো বলব। আর যেটা খারাপ, সেটা বিধানসভার ভেতরেও বলছি, বাইরেও বলছি, পাবলিকলি বলছি। কোনও রাখঢাকের ব্যাপার নয়।” যদিও বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অপজিশন লিডার হওয়া সত্বেও বিজেপির বদলে তৃণমূলকেই বেশি বিরোধিতা করে আসছেন গোঁড়া থেকেই।

আরও পড়ুন: “চারদিকে অনেক ছারপোকা বেরিয়েছে..একদম হালকাভাবে নেবেন না” CJP-কে নিশানা করে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

এদিকে রাজনৈতিক ইতিহাস প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, “আপনার যদি নূন্যতম ভেতরে কিছু না থাকে, শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম দিয়ে দিলে আপনি কিছু করতে পারবেন না। আমি যদি বলি আমি আমার নিজের যোগ্যতায় প্ল্যাটফর্ম পেয়েছি? কেননা ২০১৯ সালে, আমার কাছে এগুলি তথ্য প্রমাণ আছে বলেই বলছি, আমাকে বলা হল যে ভোটে কী হতে চলেছে? আমি রিপোর্ট দিলাম যে ১৬টা সিটে বিজেপি জিতবে। হঠাৎ করে আমার বসেরা বলল, যে আপনাকে আর কোনও জায়গায় যেতে হবে না। আমার কিছু জায়গায় যাওয়ার ছিল। কিন্তু ম্যাডাম খুব রেগে গেছেন। রেজাল্ট বেরোনোর পর আমাকে বলা হল, আপনি ইমিডিয়েটলি নবান্নে আসুন। আমাকে জিজ্ঞাসা করা হল যে তুমি কী করে বুঝলে এতগুলো সিট পাবে? আমি বললাম যা রাজনীতি শিখেছি সেখান থেকে গ্রাউন্ডে অংক কষে বার করলাম। এই ঘটনার পর বুঝলাম যে সত্যি কথা আর বলা যাবে না।”

Leave a Comment