বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মধ্যে আগেই স্বাক্ষরিত হয়েছে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি (Mecca Deal)। আর সেই ঘটনার পর পরই এবার আরেক বিশেষ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে (Defence Deal) এক হল পাকিস্তান, তুরস্ক, কাতার এবং ইন্দোনেশিয়া। গতকাল অর্থাৎ বুধবার, এই চার দেশ বিশেষ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এখন প্রশ্ন, ঠিক কোন উদ্দেশ্য নিয়ে বিশেষ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এক হল পাকিস্তান, তুরস্কের মতো দেশগুলি? কেনই বা যুক্ত করা হল কাতার, ইন্দোনেশিয়াকে?
চুক্তির নেপথ্যে মূল উদ্দেশ্য
বদর মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং নামক বিশেষ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে গতকাল সই করেছেন তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের থেকে শুরু করে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ, কাতারের উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী শেখ সৌদ বিন আবদুর রহমান এবং ইন্দোনেশিয়ার উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউসুফ জওহারি। এই বিশেষ চুক্তির কথা প্রকাশ্যে এনেছে পাকিস্তানের বন্ধু দেশ তুরস্ক।
এখন প্রশ্ন, কোন উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করল চার দেশ? জানিয়ে রাখি, চুক্তিতে সই করার সাথে সাথে চার দেশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন থেকে শুরু করে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এমনকি গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোই এই চুক্তি প্রধান লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য। এ প্রসঙ্গে কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রক একেবারে বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, চার দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব বাড়ানো এবং প্রতিরক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিই এই চুক্তির উদ্দেশ্য।
আরও পড়ুন: ২১ জন ভারতীয় নাবিকের জাহাজে ভয়াবহ হামলা, শিরোনামে সেই হরমুজ প্রণালী
বলাই বাহুল্য, মক্কা চুক্তির আওতায় যেমন পাকিস্তান, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের উপর কোনও চতুর্থ দেশের হামলা হলে বাকি দুই দেশ সেই হামলাকে নিজেদের উপর হওয়া হামলা হিসেবে বিবেচনা করবে এবং যথাযথ পদক্ষেপ নেবে, ঠিক অনুরুপভাবে পাকিস্তান, তুরস্ক, কাতার এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিই এই চুক্তির আসল কারণ।