সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport) নিয়ে বড় খবর। আগামী দিনে বেসরকারি সংস্থার হাতে চলে যেতে পারে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব। এ ব্যাপারে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
কলকাতা বিমানবন্দর নিয়ে কেন্দ্রের নতুন পরিকল্পনা!
সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী, বেসরকারিকরণ হতে পারে কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের। সব কিছু ঠিক থাকলে বিমানবন্দরের কার্যকলাপ চালানো হতে পারে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে। এই মডেলের আওতায় বিমানবন্দরে রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়ন, পরিচালন ব্যবস্থা সহ বিমানবন্দর পরিচালনার সিংহভাগ কাজের দায়িত্বে থাকবে কোনো বেসরকারি সংস্থা।
যদিও, সব কাজের দায়িত্ব বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। আকাশ পথে ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের দায়িত্ব যথারীতি থাকতে পারে এয়ারপোর্ট অথোরিটি অব ইন্ডিয়ার আওতায়। এছাড়া আর কোন কোন বিষয় বেসরকারি ক্ষেত্রে ও কোন কোন কাজের দায়িত্ব সরকারী ক্ষেত্রে বিন্যস্ত থাকবে সেটা এখনই জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না। রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতা বিমানবন্দর বেসরকারীকরণের বিষয়টি আপাতত প্রাথমিক স্তরে রয়েছে। দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
আরও পড়ুনঃ “বিজেপি ২০২৯ পর্যন্ত টিকবে না” মমতাকে সমর্থন করে তাঁকেই ক্ষমতায় চান জাকির নায়েক
দেশের একাধিক বিমানবন্দর বেসরকারিকরণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে খবর। কলকাতা বিমানবন্দর ছাড়াও চেন্নাই বিমানবন্দরও আগামী দিনে চলে যেতে পারে বেসরকারি সংস্থার হাতে।
কারা লাভবান হবেন?
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুয়ায়ী, ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখে, দুই বিমানবন্দরের পক্ষ থেকেই এই দাবি তোলা হয়েছে। অগাষ্ট মাসে, চেন্নাই বিমানবন্দরের অপারেটর বদলের ব্যাপারে আবেদন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছিলেন। যাত্রী চলাচল, বিমানের গতিবিধি এবং কার্গো হ্যান্ডলিং-এর কাজে আরো উন্নত হলে আখেরে তা রাজ্যের অর্থনীতির জন্য লাভজনক হতে পারে। বিমানবন্দর বেসরকারীকরণ হলে, আগামী দিনে রাজ্যে আসতে পারে নতুন লগ্নি।
আরও পড়ুনঃ রাস্তায় বেচতেন চুড়ি, বিনা কোচিংয়ে UPSC ক্র্যাক করে আজ IAS পোলিও আক্রান্ত রমেশ
বিমানবন্দরের বেসরকারীকরণ অবশ্য দেশে নতুন নয়। কলকাতা ও চেন্নাই বিমানবন্দর এয়ারপোর্ট অথোরিটি অব ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে চললেও, হায়দ্রাবাদ, মুম্বাই এবং বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরগুলি বেসরকারি সংস্থার অধীনে রয়েছে।