=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ সাইন্টিস্টের তালিকায় বাংলার ২ বিজ্ঞানী

অনন্যা সরকার, কলকাতা: বিশ্ব দরবারে আবারও উজ্জ্বল হল বাংলার নাম। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা-ভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’ (Elsevier)-এর যৌথ গবেষণায় বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান করে নিয়ে বাংলাকে গর্বিত করলেন দুই অধ্যাপক (Bengali Scientists)। পৃথিবী জুড়ে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপ-ক্ষেত্রের ২ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি গবেষকের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তালিকাটি প্রকাশ করা হয়েছে, যার মধ্যে উজ্জ্বল অক্ষরে জায়গা করে নিয়েছেন পুরুলিয়ার সিধো কানহো বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বজিৎ বেরা এবং আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের জিতেন্দ্রনাথ রায়। 

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলার ২ বিজ্ঞানী

আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক জিতেন্দ্রনাথ রায় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় টানা ছয়বার জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র হল অপটিক্যাল কম্পিউটিং এবং ইনফ্রারেড (IR) সেন্সরের উন্নয়ন। প্রথাগত কম্পিউটার ও প্রকৃতির মধ্যকার পার্থক্য তুলে ধরে গবেষক জানান যে, মানুষ মূলত দশমিক বা বেস-১০ পদ্ধতিতে গণনা করে, আর যন্ত্র গণনা করে বাইনারি বা বেস-২ পদ্ধতিতে। অথচ তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও গণনার সম্ভাবনা সেই সীমাকে ছাড়িয়ে যায়।

তিনি বর্তমানে এমন সব সেন্সর তৈরির কাজ করছেন, যা আলোর ভৌত ধর্মকে কাজে লাগিয়ে ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় কাজ করতে সক্ষম হবে এবং একইসাথে সহজে বহনযোগ্য ও সাশ্রয়ী হবে। তাঁর গবেষণার প্রয়োগ সম্পর্কে জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, “এই গবেষণাটি রাতের বেলা নজরদারি, অগ্নিকাণ্ডের উৎস সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা, গ্যাস নিঃসরণ শনাক্ত করা এবং দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। আসানসোল-রানিগঞ্জ খনি অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ গ্যাস ও অগ্নিকাণ্ড শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তিটি যুগান্তকারী প্রমাণিত হতে পারে।

আরও পড়ুন: অসমে ট্রাকের ধাক্কায় দুমড়ে গেল BSF-র বাস, মৃত ১, আহত ৩২ জন জওয়ান

অন্যদিকে, পুরুলিয়ার সিধো কানহো বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ বেরার নামও এই প্রথম নয়, তিনি এর আগেও এই তালিকায় স্থান করে নিয়েছিলেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে হিমবাহ-হ্রদের জলস্ফীতিজনিত আকস্মিক বন্যা (GLOF), হিমালয় অঞ্চলের ভূমিধস, নদীর গতিপ্রকৃতি এবং সুন্দরবন ও ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ জল ও ভূমিরূপের বিবর্তন। তিনি একজন সক্রিয় পরিবেশকর্মী হিসেবেও পরিচিত। এলসেভিয়ারের পাশাপাশি, তিনি নেচার (Nature), স্প্রিঙ্গার (Springer) এবং টেলর অ্যান্ড ফ্রান্সিস (Taylor & Francis)-এর মতো বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক জার্নালে তাঁর গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

Leave a Comment