সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেল বিহারের (Bihar) নালন্দায়। মন্দিরে পদপিষ্ট (Nalanda Stampede) হয়ে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৮ জনের। বিহারের নালন্দা জেলায় শীতলা মায়ের মন্দিরে হঠাৎ পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। এই ঘটনায় এখনও অবধি ৮ জন মহিলার মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। এছাড়া ১২ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। যদিও মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নালন্দায় মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মৃত বহু মহিলা
এমনিতে প্রতি মঙ্গলবার শীতলা মাতা মন্দিরে পুজোর জন্য ভক্তদের ভিড় জমে। আজ চৈত্র মাসের শেষ মঙ্গলবার হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ভিড় ছিল মন্দিরে। কিন্তু হঠাতই চোখের পলক ফেলার আগেই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। জানা গিয়েছে, হঠাতই লোকজন এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করতে শুরু করে। এই সময় ভিড়ের চাপে পিষ্ট হয়ে অনেক মহিলার মৃত্যু হয়।
बिहार के नालंदा स्थित शीतला मंदिर में अत्यधिक भीड़ होने के कारण भगदड़ हो गई जिससे कई लोग दब गए है।
हादसे में अबतक 8 लोगों की मौत हो गई है और दर्जन से अधिक लोग जख्मी हुए है। #Bihar #Nalanda #Stampede #NalandaStampede pic.twitter.com/zROA4m5Qy8
— Ravi Pandey🇮🇳 (@ravipandey2643) March 31, 2026
এদিকে ঘটনাটির খবর পেয়ে এসডিপিও-সহ ঊর্ধ্বতন জেলা কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে পদপিষ্টের কারণ এখনও অজানা। কিছু সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, নিরাপত্তার জন্য মন্দিরে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা ছিল না। এদিকে ঘটনার পর পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি মন্দির দর্শনের জন্য সুদূর পাটনা থেকে এসেছিলেন। সেখানে গিয়ে দেখেন মন্দিরে ভিড় উপচে পড়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রশাসন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়নি।
আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানে রহস্যজনক মৃত্যু জইশ প্রধান আজহার মাসুদের বড় ভাই তাহির আনোয়ারের
কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা?
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, লোকজন সামনে এগোনোর জন্য একে অপরকে ধাক্কা দিতে শুরু করে। ঠিক তখনই ঘটনাটি ঘটে। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে মন্দিরটি সম্পূর্ণ খালি করা হয়েছে। ঘটনার পর বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অর্থাৎ সব শেষ হয়ে যাওয়ার পর পুলিশের টনক নড়েছে। যাইহোক, এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে যে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা ভিড় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও গাফিলতি ছিল কিনা।