“মর্যাদার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব…” শিক্ষামন্ত্রী হয়ে মুখ খুললেন প্রহ্লাদ যোশী

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সিজেপির দীর্ঘ আন্দোলনের পর অবশেষে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এমনকি গতকাল রাতেই নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রহ্লাদ যোশীর (Pralhad Joshi) নাম ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর মুক খুললেন যোশী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তাঁর উপর রাখা আস্থার মর্যাদা রাখবেন এবং বিনয় এবং দায়িত্বের সঙ্গেই এই দায়িত্ব সামলাবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে বড় বার্তা প্রহ্লাদ যোশীর

শনিবার রাতেই দায়িত্ব গ্রহণের পর সংবাদ মাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে প্রহ্লাদ যোশী স্পষ্ট জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমার উপর আস্থা রেখেছেন। আমি সম্পূর্ণ বিনয় এবং দৃঢ় দায়িত্ববোধের সঙ্গেই এই দায়িত্ব পালন করব। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি আমার উপর অগাধ আস্থা রেখেছেন। তাঁর নির্দেশনা এবং নেতৃত্বে আমি সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গেই কাজ করব, এবং তাঁর প্রত্যাশা পূরণের জন্য আমি সচেষ্ট থাকব। আমি পূর্ণ নিষ্ঠা, বিনয় এবং সততার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করব।”

পাশাপাশি এদিন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রশংসা করে প্রহ্লাদ যোশী জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে গত ১২ বছর অনেক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছেন ধর্মেন্দ্র। গত ৪-৫ বছরে ধর্মেন্দ্র প্রধান জাতীয় শিক্ষানীতি এনইপি ২০২০ বাস্তবায়ন করেছেন এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। নতুন শিক্ষা ব্যবস্থায় দেশ অনেকটাই অগ্রগতি করেছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমি আমার সাধ্য মতোই কাজ করার চেষ্টা করব।”

আরও পড়ুন: “শান্তিতে ঘুমালাম…” আন্দোলন জয়ের পর খুশিতে আত্মহারা হয়ে বার্তা অভিজিতের

বলে রাখি, নিটের প্রশ্ন ফাঁসকে কেন্দ্র করে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। এমনকি তাদের হয়ে অনশনে বসেন সোনম ওয়াংচুক। তবে কেন্দ্রের তরফ থেকে তাদের সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। এমনকি গতকাল বিকালে তাদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চায় কেন্দ্র সরকার। তাদের স্পষ্ট দাবি ছিল, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করবে না। কিন্তু বৈঠকের আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিয়ম মতো প্রধানমন্ত্রী সেই চিঠি রাষ্ট্রপতিকে পাঠালে তিনি তা গ্রহণ করেন। এমনকি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, এমনটাই জানান তিনি।

Leave a Comment