=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মানস সরোবর যাত্রায় অতিরিক্ত ভারতীয় টানতে চিনের কাছে আর্জি নেপালের, উদ্দেশ্য কী?

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টানা 5 বছরের স্থগিতাদেশের পর ভারত এবং চিনের সম্পর্কের বরফ কিছুটা গলতেই আবারও শুরু হয়েছে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা (Kailash Mansarovar Yatra)। আর এই পবিত্র যাত্রায় অংশ নিতে একেবারে হাপিত্যেশ করে বসে থাকেন পর্যটকরা। এবার সেই লিপুলেখ পাস থেকে কৈলাস মানস সরোবর পর্যন্ত যাত্রা নিয়ে চিনের কাছে বিশেষ আবেদন নেপালের। কিছুদিন আগে পর্যন্তও ভারতীয়দের এই যাত্রা নিয়ে আপত্তি প্রকাশ করা প্রতিবেশী কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক ভারতীয় তীর্থ যাত্রীদের জন্য চিনের কাছে অতিরিক্ত 15 হাজার কোটা দেওয়ার অনুরোধ করেছে। কিন্তু এতে নেপালের লাভ কোথায়?

হঠাৎ কেন ভারতীয়দের জন্য চিনের কাছে আবেদন নেপালের?

নেপালের এক পর্যটক উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, চিন এবছর নেপাল হয়ে তিব্বতের কৈলাস মানস সরোবরে ভ্রমণকারী ভারতীয় পর্যটকদের জন্য 24 হাজার জনের কোটা নির্ধারণ করেছে। অর্থাৎ এই সমসংখক মানুষই কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় অংশ নিতে পারবেন। তবে ওই উদ্যোক্তার দাবি, 24 হাজার জনের জন্য কোটা নির্ধারণ করা হলেও বহু ভারতীয় পর্যটক এই তীর্থযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে চাইছেন। সেই সংখ্যাটা প্রায় 15 হাজার। মূলত সে কারণেই, যদি 24 হাজার জনের নির্ধারিত কোটাটাকে 40 হাজারে উন্নীত করা যায় সেই দাবিতেই চিনের দারস্থ হচ্ছে নেপাল!

এ নিয়ে টাচ কৈলাশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যাক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বসু অধিকারী জানিয়েছেন, “এই পবিত্র যাত্রা নিয়ে প্রচুর সংখ্যক মানুষের ফোন আসছে। অনেকেই জানতে চাইছেন তাঁরা এই যাত্রায় অংশ নিতে পারবেন কিনা। প্রচুর প্রশ্ন আসছে। তাই আমি চিনা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করি যদি কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় ভারতীয় পর্যটকদের কোটাটা আরও 15 হাজার বাড়ানো যায়, তবে সবাই উপকৃত হবে।” ওই ব্যক্তির দাবি, এমন অনুরোধের পরই নাকি চিনের তরফে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন তিনি।

এবার আসা যাক আসল প্রসঙ্গে। ভারতের সিকিমের লিপুলেখ পাস এবং নাথুলা পাসের মাধ্যমে কৈলাস মানস সরোবর তীর্থযাত্রা পুনরায় শুরু হচ্ছে। এই যাত্রাকে সহজতর করতে ভারত সরকার বার্ষিক তীর্থযাত্রায় 1000 জনের সংখ্যা সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে। এরফলে বেশিরভাগ ভারতীয় তীর্থযাত্রী নেপাল হয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন। সাধারণত নেপাল হয়ে কৈলাসে যাওয়ার চারটি রুট রয়েছে। সেগুলি হল তাতোপানি, রাসুওয়াগাদি, হিলসা এবং কাঠমান্ডু-লাসা রুট।

অবশ্যই পড়ুন: অবশেষে মাঠে ফিরছেন অভিষেক, ক্ষত সারাতে শনিবার থেকেই রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু

যদিও এই মুহূর্তে তাতোপানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। 2015 সালের ভূমিকম্পের আগে বেশিরভাগ ভারতীয় তীর্থযাত্রী এই রুট দিয়ে যেতেন। এর ফলে বেশিরভাগ মানুষ হিলসা দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছচ্ছিলেন। কাঠমন্ডু পোস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, সিমকোটের হোটেলিয়ার বিজয় লামা জানিয়েছেন, “এই রুট বর্তমানে পুরো পর্যটন খাতকে উপকৃত করছে। এর ফলে আমরা ভাল পরিমাণ পর্যটক টানতে পারছি।”

বলাই বহুল্য, এই মুহূর্তে হিলসায় সাতটি হোটেল রয়েছে। অন্যদিকে সিমকোটে রয়েছে 15টি হোটেল। এছাড়াও কয়েক ডজন লজ রয়েছে এই জায়গাগুলিতে। আর এই প্রত্যেকটিই ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের উপর নির্ভরশীল। মূলত সে কারণেই নিজেদের পর্যটন শিল্পকে বাড়াতে এবং ভারতীয়দের মাধ্যমে আয় সুনিশ্চিত করতেই মানস সরোবর যাত্রায় নির্ধারিত কোটা বাড়ানোর জন্য চিনের কাছে বিশেষ আবেদন করেছে নেপাল।

Leave a Comment