=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মাসে ১৫ হাজার আয় করা দর্জিকে ৯৭৫ কোটির ইনকাম ট্যাক্সের নোটিশ

অনন্যা সরকার, রাজস্থান: মাসে আয় টেনেটুনে ১৫ হাজার টাকা। তাঁর কাছেই প্রায় ৯৭৫ কোটি টাকা কর (Income Tax) পরিশোধ করার দাবি জানিয়ে এল নোটিশ। তাই দেখে চক্ষু চড়কগাছ রাজস্থানের আজমের জেলার এক বয়স্ক দর্জির। সুরাটের আয়কর দফতর থেকে পাঠানো এই নোটিশে স্পষ্ট লেখা আছে ৯৭৪.৯৭ কোটি টাকা কর বাকি রয়েছে তাঁর। এই অবাক করা ঘটনাই আধার এবং প্যান কার্ডের অপব্যবহার সংক্রান্ত একটি বড় জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে আনলো। আসলে ঠিক কী ঘটেছে? কেন ওই নিম্নমধ্যবিত্ত দর্জির কাছে এল এত কোটি টাকার কর মেটানোর নোটিশ, চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

আধার ও প্যান কার্ডের অপব্যবহারে রচিত ষড়যন্ত্র

রাজস্থানের আজমের জেলার গোবিন্দগড়ের বাসিন্দা ৬২ বছর বয়সী দর্জি রেখারাজ থাডা সেলাইয়ের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাঁর কাছে গত ১৩ আগস্ট সুরাট আয়কর বিভাগ থেকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়। সেই নোটিশ পাওয়ার পর তাঁর গোটা পরিবার কার্যত হতবাক হয়ে যায়। কেননা ওই নোটিশ অনুযায়ী রেখারাজের মোট ৯,৭৪,৯৭,২৫,৪৫৭ টাকার কর বকেয়া রয়েছে। নোটিশে দেখা গেছে, আয়কর বিভাগ তাঁকে ‘রূপ রজত ডায়মন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের এক সুরাট-ভিত্তিক কোম্পানির ডাইরেক্টর হিসেবে তালিকাভুক্ত করে রেখেছে।

এই নোটিশ পাওয়ার পর উদ্বিগ্ন রাজস্থানের ওই পরিবারটি এক স্থানীয় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের (CA) মাধ্যমে সরকারি নথিপত্র যাচাই করায়, আর সেখান থেকেই বেরিয়ে আসে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা যায় রেখারাজ শুধু একটি নয়, তিনি সুরাট-ভিত্তিক আরেক কোম্পানি জয় ‘বাবরি ডায়মন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এরও ডাইরেক্টর হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি রুখতে রাজ্যকে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের!

এই আর্থিক জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলার ভুক্তভোগী ওই বয়স্ক দর্জি জানান, তিনি তাঁর সারা জীবনে কোনদিনও গুজরাট যাননি। কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তি বো চক্র তাঁর আধার কার্ড ও প্যান কার্ডের অপব্যবহার করে কাগজে-কলমে এই ভুয়ো হীরার কোম্পানিগুলো খুলে তাঁর নামে বিপুল পরিমাণ টাকার অবৈধ লেনদেন করেছে। রেখারাজ থাডা ও তাঁর পরিবার এই বড় ধরনের আর্থিক জালিয়াতি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন: ব্যারাকপুর পর্যন্ত ছুটবে মেট্রো, পিঙ্ক লাইনে ছাড়পত্র দিল কলকাতা পুরসভা

তদন্ত করে দেখা গেছে যে, এই কোম্পানিগুলির রেজিস্ট্রার্ড ঠিকানায় হীরের কোম্পানির পরিবর্তে দীপকভাই হাসমুখভাই ক্লেটওয়ালা নামে এক ব্যক্তি তাঁর পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে দীপকভাই জানান যে, তিনিও সম্প্রতি এই জালিয়াতির কথা জানতে পেরেছেন এবং এই ঘটনায় বকেয়া আয়করের বিশাল অঙ্কের কথা শুনে তিনি ও তাঁর পরিবার রীতিমত হতবাক। দীপকভাইয়ের স্পষ্ট বক্তব্য, তিনি ১৯৯৭ সাল থেকে এই স্থানে একটি মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ চালিয়ে আসছেন তিনি। ভবিষ্যতে এই ঘটনার জেরে কোনও সমস্যায় পড়লে অবশ্যই পুলিশ ও আইনের সাহায্য নেবেন বলে জানান ওই ব্যক্তি।

Leave a Comment