=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মেয়ের বিচার থেকে স্বাস্থ্য দুর্নীতি থ্রেট কালচার ভাঙার ডাক, জিতেই হুঙ্কার অভয়ার মায়ের

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু লড়াইয়ের অবসান, দীর্ঘ ১৫ বছরের রাজত্বের পর এবার বঙ্গের মাটিতে প্রথমবার গেরুয়া ঝড় তুলল বিজেপি (BJP)। তুমুল উচ্ছ্বাস এবং উত্তেজনা চারিদিকে। এমনকি গেরুয়া ঝড় উঠল পানিহাটিতেও (Panihati)। সেখানে ২২ হাজার ভোটে জয়ী হলেন আরজি কর নির্যাতিতার মা তথা বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath)। জয়লাভ করেই আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Case) মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াইয়ের বার্তা দিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি ছুঁড়ে দিলেন চ্যালেঞ্জ।

পানীহাটিতে জয় অভয়ার মায়ের

নন্দীগ্রাম, ভবানীপুরের পাশাপাশি ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে পানিহাটিও ছিল সবচেয়ে হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র। কারণ, এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে দাঁড়িয়েছিলেন আরজি কর নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। মেয়ের এই নির্মম অত্যাচারের প্রতিশোধ নিতে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছিলেন তিনি। ভোটের প্রচারের সময় তিনি পানিহাটি থেকে পরিবারতন্ত্র উৎখাতের ডাক দিয়েছিলেন। এবার সেই আহ্বানে পানিহাটির মানুষ সাড়া দিলেন। সকলকে ছাপিয়ে ওই কেন্দ্রে জয় লাভ করলেন তিনি। এবং ভোটে জিতে মেয়ের বিচারকে লক্ষ্য করেই বিধায়কের দায়িত্ব পালনে নিজেকে গড়ে তুললেন তিনি।

কী বলছেন রত্না দেবনাথ?

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরেই বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ প্রথমেই নিজের জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উৎসর্গ করেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন, “এই জয় পানিহাটির মানুষের জয়। এই জয় আমার মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াইকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমি নিশ্চিত, ন্যায়বিচার একদিন মিলবেই। বলেছিলাম তৃণমূলের মূল উপড়ে ফেলব, আমি হয়তো সেটা পেরেছি।” তিনি আরও বলেছিলেন যে, “বাংলায় অনেক অভিযোগ, চাকরি নেই, স্কুলগুলিতে তালা পড়ে গেছে, পানিহাটি থেকে ঘোষ পরিবারের থ্রেট কালচার থেকে মুক্ত করব, এই ভয়ের দুর্নীতি থেকে পানিহাটি থেকে মুক্ত করতে পারব।”

স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি নিয়ে সরাসরি রত্না দেবনাথ

সদ্য নির্বাচিত এই বিধায়কের প্রথম কাজ কী হতে চলেছে প্রশ্ন করা হলে রত্না দেবনাথ স্পষ্ট বলেন, “আমার মেয়ে যে দুর্নীতির জন্য খুন হয়েছে, সেই স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি কতটা গভীরে সেটা খুঁজে বের করব। রাজনীতিতে একটা পদ পেয়েছি। কিন্তু আমি অভয়া, তিলোত্তমার মা হয়ে থাকতে চাই না। মেয়ের নাম প্রকাশ্যে আনতে পারি না, তবে ডক্টর দেবনাথের মা হয়েই থাকতে চাই।” উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য দফতরের মন্ত্রী ছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেক্ষেত্রে রত্না দেবনাথ সোজাসুজি যে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন সেই তথ্য স্পষ্ট।

আরও পড়ুন: ১০০ কোটির দুর্নীতি ফাঁস করে খেয়েছিলেন ৭টি গুলি, UPSC ক্র্যাক করে আজ IAS

গতকাল, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরই রত্না দেবীর বাড়ির সামনে ভিড় জমিয়েছিল দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। গেরুয়া জয়ের আনন্দে চারিদিকে আনন্দ যেন দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। দীর্ঘ নির্বাচনী প্রচারে নানা কটুক্তি ও বিদ্রুপের মুখে পড়তে হলেও সাধারণ মানুষের সমর্থনই যে তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে তাঁর প্রতিফলন এই জয়। স্থানীয়দের একাংশের কথায়, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে পরিণত করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্যই রত্না দেবনাথের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা।

Leave a Comment