শুরু বৃত্তি পরীক্ষার ফর্ম ফিল-আপ, জেনে নিন দিনক্ষণ ও সিলেবাস

অনন্যা সরকার, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের সকল স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদ (Primary Education Development Board) ২০২৬ সালের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা (Britti Pariksha 2026) আয়োজন করতে চলেছে আগামী অক্টোবর মাসে। রাজ্যের সমস্ত চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা এই বৃত্তি (Scholarship) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। ১৯৯২ সাল থেকে সফলতার সাথে  প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদ এই পরীক্ষা পরিচালনা করে আসছে। এবছরের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার ফর্ম ফিলআপের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আসুন তাহলে এই পরীক্ষার তারিখ, ফি, সিলেবাস  সহ যাবতীয় তথ্যগুলি  বিশদে জানা নেওয়া যাক। 

বৃত্তি পরীক্ষার তারিখ ও ফি

২০২৬ সালের বৃত্তি পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ অক্টোবর। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদের ওয়েবসাইট থেকে এই পরীক্ষার জন্য আবেদন করা যাবে। ফর্ম ফিলআপের শেষ তারিখ ১৫ জুলাই। বৃত্তি পরীক্ষার ফর্মের ফি ৫০ টাকা। এছাড়া পর্ষদের নির্ধারিত সহায়ক ইংরেজি বইয়ের মূল্য ৪০ টাকা ও মডেল প্রশ্নপত্র ১০ টাকায় পাওয়া যাবে।

বৃত্তি পরীক্ষায় কোন কোন বিষয়ে কত নম্বর থাকবে?

চতুর্থ শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষাটি চার দিন ধরে চলবে। প্রতিদিন একটি করে বিষয়ের পরীক্ষা হবে। এই বিষয়গুলি হলো – মাতৃভাষা (বাংলা), ইংরেজি, গণিত ও পরিবেশ বিজ্ঞান। অর্থাৎ মোট ৪০০ নম্বরে ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ন হবে। পরীক্ষার সিলেবাস চতুর্থ শ্রেণীর পর্ষদ নির্ধারিত বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও পরিবেশ বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা যাতে পরীক্ষার কাঠামো ও প্রশ্নের ধরন ভালোভাবে বুঝতে পারে তার জন্য মডেল প্রশ্নের সেটের ব্যবস্থা করেছে পর্ষদ, এর দাম রাখা হয়েছে ১০ টাকা। এছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের ইংরেজির ভিত্তি আরও মজবুত করতে পর্ষদ থেকে একটি ইংরেজি বইও প্রকাশ করা হয়েছে, যার দাম মাত্র ৪০ টাকা।

আরও পড়ুনঃ মুসলিম মহিলাদের বন্ধ হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার? মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি, জমা পড়ল ডেপুটেশন

 চতুর্থ শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষার লক্ষ্য 

প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন পর্ষদ কর্তৃক পরিচালিত এই বৃত্তি পরীক্ষাটি শুধুমাত্র ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা যাচাইয়ের পরীক্ষা নয়, বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ) পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকৃত মেধার বিকাশ করার জন্যই এর আয়োজন। এই পরীক্ষার প্রস্তুতির মধ্যে দিয়ে শিশুদের বোধশক্তি, স্মৃতিশক্তি ও বানান সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছে পর্ষদ। পর্ষদের তরফে শিক্ষক ও অভিভাবকদের কাছে ছাত্র-ছাত্রীদের এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে আবেদন করা হয়েছে। বৃত্তি পরীক্ষাটি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দ্বারা সম্পূর্ণভাবে পরিচালিত হয়, যেখানে শিক্ষক, অভিভাবক ও যুব-সমাজ ভলেন্টিয়ার হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। 

Leave a Comment