সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: চাঞ্চল্যকর ঘটনা উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মুজফফরনগরে। শশুরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে তাঁর গোপনাঙ্গে ব্লেড দিয়ে হামলা করল এক পুত্রবধূ। গুরুতর জখম অবস্থায় বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু এই ঘটনায় অভিযুক্ত মহিলাকে ইতিমধ্যেই পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে, এবং তদন্ত চলছে।
ঘটনাটি কী?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনাটি মুজফফরনগরের বুধানা থানা থানার অন্তর্গত সাফিপুর পট্টি এলাকায় ঘটেছে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, এবং আহত ব্যক্তিকে প্রথমে স্থানীয় একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে যে, ২৩ বছর বয়সী ওই মহিলার দাবি অনুযায়ী তাঁর ৬৭ বছর বয়সী শ্বশুর দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করতেন। সেই কারণেই তিনি ক্ষোভের বসে পড়ে ব্লেড দিয়ে শ্বশুরের গোপনাঙ্গে আঘাত করে পুলিশের কাছে জানিয়েছেন।
তবে স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী খবর, মহিলার স্বামী কর্মসূত্রে হরিয়ানায় থাকেন এবং রিকশা চালিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন। যার ফলে বাড়িতে শ্বশুর, পুত্রবধূ এবং তাঁর দুই সন্তান একসঙ্গে থাকতেন। প্রতিবেশীদের একাংশের দাবি, ওই মহিলা আগেও একাধিকবার অভিযোগ করেছিলেন যে তাঁর শশুর তাঁকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলছেন। কিন্তু সেই অভিযোগের বিষয়ে আগে কোনও রকম আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য নেই।
Daughter-in-law cut the private part of father-in-law with a blade for raping her continuously for the last two years in Muzaffarnagar, UP.
She claims he harassed her whenever her husband was away.
Neighbors alerted police after hearing the man’s screams. pic.twitter.com/R2lkrufa3q
— Treeni (@treeni) July 17, 2026
আরও পড়ুন: তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে হিসাব নেই ১৬৪ কোটি টাকার, এবার ব্যাঙ্কে চিঠি ইডির
এ বিষয়ে বুধানা সার্কেলের পুলিশ আধিকারিক জানান, জরুরী পরিষেবার মাধ্যমে খবর পাওয়ার পরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। অভিযুক্ত মহিলা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। যদিও এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।