বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিগত বছরগুলিতে ময়দান থেকে উবে গিয়েছে কত প্রতিভা। নিয়মিত যাঁরা কলকাতা (Kolkata) ময়দানের খবর রাখেন, তাঁদের মনে থাকবে সাহেবের কথা (East Bengal Footballer) । ইস্টবেঙ্গলের হয়ে একটা সময় প্রতিপক্ষ দলগুলির বুকে ভয় ধরিয়েছিলেন এই ডিফেন্ডার। তাঁকে রীতিমতো সমীহ করে চলতে হতো প্রতিপক্ষ দলগুলির প্লেয়ারদের। ইস্টবেঙ্গলে এসে নিজের সাথে সাথে দলের নামও বাড়িয়েছিলেন তিনি। সেই সাহেব আলি ঘরামি এখন বাসের কন্ডাক্টর। সংসার চালাতে, বাসের গেটে দাঁড়িয়ে যাত্রী ডাকতে হয় তাঁকে। ফুটবলের স্বপ্নে মোড়া জীবন থেকে আজ দিনা আনা দিন খাওয়া শ্রমিক হয়ে ওঠা সাহেবের খবর কে রাখে?
একটা চোটই জীবন ওলটপালট করে দিল সাহেবের
তৎকালীন ইস্টবেঙ্গল কোচ ফিলিপ ডি রাইডারের তত্ত্বাবধানে লাল হলুদের ডিফেন্সে নিয়মিত ছিলেন সাহেব। তিনি মাঠে নামলে রীতিমতো ভয় পেতেন তাবড় তাবড় স্ট্রাইকাররা। কতবার যে গোলমুখী হওয়া স্ট্রাইকারকে আটকে দিয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই। সেই প্রাক্তন ফুটবলারের জীবন এখন বাসের যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা তুলেই কেটে যায়। বিষয়টা ভাবলেও কেমন গা শিউরে ওঠে লাল হলুদ ভক্তদের। একটা সময় যে ছেলেটা গোটা মাঠে ফুটবল পায়ে দাপিয়ে বেড়াতো, যাঁর নামে স্লোগান পড়তো স্টেডিয়ামে, সেই সাহেব এখন কোনও মতে দিন গুজরান করছেন।
বলাই বাহুল্য, পলাশীপাড়ার পারকুলা গ্রামের দিনমজুর পরিবারের সন্তান সাহেবের জীবনের চাকা ঘুরেছিল 2007 সালে। সে বছর প্রথমবারের মতো ইস্টবেঙ্গলে সুযোগ পেয়েছিলেন এই ফুটবলার। ময়দানে দাপিয়ে বেরিয়েছিলেন লাল হলুদ জার্সিতে। টানা তিন বছর ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছেন তিনি। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং সুভাষ ভৌমিকের কোচিং এ শুরুর বছরেই সাত থেকে আটটি গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। ইস্টবেঙ্গলের পর আরেক ময়দান প্রধান মহামেডান স্পোর্টিং এও খেলেছিলেন সাহেব। তবে, জীবন থমকে গিয়েছিল 2013 সালের পর।
অবশ্যই পড়ুন: এই দিন শহরে আসছেন ইস্টবেঙ্গলের নতুন অজি ফুটবলার
অনেকেই হয়তো জানবেন, সে বছর চোট পাওয়ার পর থেকে আর বড় দলের হয়ে ফুটবল পায়ে মাঠে ফেরা হয়নি সাহেবের। তবে নয় বছর খেলেছিলেন পিয়ারলেসের হয়ে। ফুটবলের পাশাপাশি মাঝে চাকরির সুযোগও পেয়েছিলেন এই স্বদেশী ফুটবলার। ফুটবলার বলছি কারণ অভাবের তাড়নায় পেট চালাতে দিনের বেশিরভাগ সময় বাসের কন্ডাক্টরি করলেও ফুটবলকে পুরোপুরি নিজের জীবন থেকে সরিয়ে রাখতে পারেননি তিনি। তাই আজও নিজের কাজের ফাঁকে মাঝেমধ্যেই খেপ খেলেন সাহেব। যদিও ইদানিং আর সেটাও হচ্ছে না। বাসের ভিড় সামলে টিকিটের অর্থ সংগ্রহ করতে করতেই স্বপ্নগুলো কোথাও যেন দূর আকাশে মিলিয়ে যাচ্ছে সাহেব আলির। সেই খবর কি পুরনো সতীর্থতা রাখেন?
As a regular player in Brazil I have tried quite a few platforms and br0001bet really caught my attention with its clean design and quick payouts. The sports section has all the matches I follow and the casino games run without any lag. It feels like a place that actually cares about its community. br0001bet
The sportsbook section is top notch and the odds are actually fair compared to other spots. I enjoy placing matches on weekends and watching them live without any lag. Transfers hit my wallet within minutes. Definitely my go to app for betting on the go. 888betslogin
Just joined and the welcome bonus really matched the description. Navigating the app is super intuitive even for someone like me who is not super tech savvy. Payouts are clean and I never had to wait too long for verification. bdtkpklogin