=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

সবাইকে জামিন দিয়ে দেব! রাজ্য সরকারের উপর ক্ষোভে ফেটে পড়ল হাইকোর্ট

Calcutta High Court

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যের সংশোধনাগারগুলির উন্নয়নে টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে না বলে এর আগে একাধিকবার অভিযোগ উঠে এসেছিল। এমনকি জেলগুলিতে অতিরিক্ত বন্দি রাখার সমস্যা মেটাতে পরিকাঠামোগত মানোন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু সব নির্দেশেই ফাঁকি দিচ্ছে রাজ্য। এমতাবস্থায় রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে হাজির থাকতে বললেও না থাকায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিচারপতি।

সংশোধনাগার উন্নয়নে বেখেয়ালি মনোভাব রাজ্যের

উল্লেখ্য, রাজ্যের বিভিন্ন জেলে বন্দির সংখ্যা সীমার অনেকটাই বেশি, ফলে জেল বা সংশোধনাগারে জীবনযাত্রার মান, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো—সব কিছুতেই তৈরি হয়েছে মহাসঙ্কট। এর আগে একাধিকবার আদালত এই বিষয়ে রাজ্যকে সতর্ক করলেও বাস্তবে কোনও পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। আর এই আবহে গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বার রাশিদির ডিভিশন বেঞ্চে পুনরায় এই মামলা ওঠে। মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী রঘুনাথ চক্রবর্তী বলেন, “এই রাজ্যে বিগত কয়েক বছরে ৯০০ জনের অধিক বন্দির জেলে অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে। সেইগুলো নিয়ে রাজ্য আজ পর্যন্ত কোনও FIR করেনি। এমনকি মৃত্যুর কারণের ব্যাখ্যাও মেলেনি।”

রাজ্যের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট!

আইনজীবী রঘুনাথ চক্রবর্তী রাজ্যের বেপরোয়া মনোভাব নিয়ে আদালতে জানান, “২০১৮ সালে জেলে অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ৪২ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি। একইসঙ্গে জেলগুলিতে কর্মী নিয়োগের নির্দেশও কার্যকর করা হয়নি। মেডিক্যাল অফিসার ২১৯টি পদ রয়েছে। তারমধ্যে ১৪৯টি পদ এখনও ফাঁকা রয়েছে। এরপরেই বিচারপতি দেবাংশু বসাক বলেন, “আদালত এইবার রাজ্যের সংশোধনাগারগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবে। যদি দেখা যায় কোথাও ১০০০-এর জায়গায় ৩০০০ বন্দি আছে, তাহলে আদালত স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে সবার জামিন দিয়ে দেওয়া হবে। কারণ নাগরিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সোনমার্গে ভয়াবহ তুষারধস, মুহূর্তেই বরফের তলায় একাধিক হোটেল, ভাইরাল ভিডিও

মামলার শুনানির দিন আদালতের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে অ্যাডভোকেট জেনারেলকে উপস্থিত থাকতে হবে কিন্তু সেই নির্দেশও গতকাল মানা হয়নি। এনিয়ে ক্ষুব্ধ বিচারপতি দেবাংশু বসাক রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বলেন, “আজও অ্যাডভোকেট জেনারেল এলেন না ! তাহলে কী হবে ! পরিকাঠামোর অভাব বিচার বিভাগেরও। আমরা আবার তারিখ দিয়ে নির্দেশ দেব, আবার রাজ্যের প্রতিনিধি হাজির থাকবেন না। তাহলে এবার রাজ্য নিজে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিক। আগে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। তারপরে বুঝব বাকিটা। আর যদি সেটা না হয় তাহলে স্বচ্ছভাবে সেটার পদক্ষেপ নেওয়া হোক। রাজ্য কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানাতে হবে।”

Leave a Comment