বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: প্রায় ছয় মাস পর গুজরাত হাইকোর্ট থেকে জমি সংক্রান্ত মামলা প্রত্যাহার করে নিলেন ভারতীয় দলের (India) প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা NCPI সাংসদ ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)। বলাই বাহুল্য, এর আগে ভাদোদরা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের 978 বর্গমিটারের একটি বিতর্কিত সরকারি জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত প্রস্তাব খারিজ করার সিদ্ধান্ত বহাল রেখে যে আদেশ দেওয়া হয়েছিল সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টে আপিল করেছিলেন ইউসুফ পাঠান। তবে সেই ঘটনার দীর্ঘ সময় পর অবশেষে আদালতে করা আবেদন প্রত্যাহার করলেন তিনি। বলে রাখি, পাঠানের বিরুদ্ধে ওই সরকারি জমি দখলের অভিযোগ ছিল।
হঠাৎ কেন আবেদন প্রত্যাহার করলেন পাঠান?
ওই বিতর্কিত জমি সংক্রান্ত মামলা নিয়ে আদালতে ইউসুফ পাঠানের আইনজীবী শালিন মেহতা জানিয়েছেন, ভাদোদরা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন তাদের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও মেলেনি প্রত্যুত্তর। ঠিক সে কারণেই ইউসুফ পাঠান তাঁকে আদালত থেকে ওই মামলা প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। হাইকোর্টে ওই আইনজীবী বলেন, “এক বিশেষ নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রত্যেক ক্রিকেটারকে একটি করে প্লট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই আমরা কর্পোরেশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। কর্পোরেশন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কিছু না জানানোয় আমরা এই মামলা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।”
এদিন ইউসুফ পাঠানের ওই আইনজীবীকে আদালতের তরফে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য তাঁর মক্কেলের অনুমতি নিয়েছিলেন কিনা। ওই প্রবীণ আইনজীবী খুব পরিষ্কারভাবে জানান, তিনি প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারের অনুমতি নেওয়ার পরই আদালত থেকে মামলা প্রত্যাহার করার আবেদন জানিয়েছেন। এরপর যদি এই ঘটনায় কিছু সমঝোতা বা সমাধান করা যায় তবে সেটা আদালতের বাইরে হবে!
Cricketer Yusuf Pathan Withdraws From Gujarat High Court Plea Against Order Declaring Him ‘Encroacher’ On Govt Land In Vadodarahttps://t.co/u0qPCsg0c1
— Live Law (@LiveLawIndia) August 31, 2026
আরও পড়ুন: ‘শুধু আফসোস …’ পার্টি অফিসে পুলিস, দমকলের তৎপরতায় মুখ খুললেন অভিষেক
প্রসঙ্গত, গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে পুরসভার স্থায়ী কমিটির তরফে অনুমোদিত এবং সাধারণ পর্ষদের অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবিত বিতর্কিত প্লট এবং পুরসভার অন্যান্য জমির মূল্যায়ন নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। মূলত জমি দখলের বিষয়টির সমাধান না করেই গোটা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় প্রশ্ন তুলেছিলেন খোদ নির্বাচিত সদস্যরা। আর তারপরেই পুর কমিশনার অরুণ মহেশ বাবু মূল্যায়নের প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেন।