=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

প্রেমিকের ফাঁদে পা দিয়ে বন্দি! বিহার থেকে উদ্ধার চন্দনগরের নিখোঁজ দশম শ্রেণির ছাত্রী

Chandannagar

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: স্কুলের অনুষ্ঠানে যাবে বলে মামার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল চন্দননগরের (Chandannagar) কাঁটাপুকুরের দশম শ্রেণির ছাত্রী শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়। তার পর থেকে নিখোঁজ পিতৃ-মাতৃহীন মেয়েটি। সপ্তাহ খানেক তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর অবশেষে হদিস মিলল হুগলির মেয়েটির। পাওয়া গেল বিহারে। সোমবার নালন্দা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে এল চন্দননগর থানার পুলিশ। কিন্তু এই ঘটনায় পলাতক ছাত্রীর প্রেমিক, তাঁর খোঁজ এখনও চালিয়ে যাচ্ছে তদন্তকারীরা।

খোঁজ মিলল পিতৃ-মাতৃহীন মেয়ের

রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ১২ সেপ্টেম্বর স্কুলে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে যাওয়ায় জন্য মামার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল দশম শ্রেণীতে পাঠরত বছর ১৫-র শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়। গত ৯ মাস আগেই তার মায়ের ক্যান্সার রোগে মৃত্যু হয়। এদিকে বাবারও মৃত্যু হয়েছে। সেই থেকে চন্দননগরের কাঁটাপুকুরে মামার বাড়িতেই ওই ছাত্রীর আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিল। ইমামবাড়ার কাছে একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়াশোনা করত সে। এই বছর তার বোর্ড পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সে নিখোঁজ। অবশেষে পিতৃ-মাতৃহীন এই মেয়েটির খোঁজ মিলল বিহারে। গতকাল, সোমবার নালন্দা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে এল চন্দননগর থানার পুলিশ।

প্রেমিকের জন্য পালিয়ে গিয়েছিল বিহারে

শর্মিষ্ঠার দাদু শংকর ও দিদা পার্বতী পাল জানান,গত বছর ডিসেম্বর মাসে মেয়ে শাশ্বতী লিউকোমিয়া মারা যায়। এবং চলতি বছর জুলাই মাসে জামাই অরিন্দম মুখার্জির মৃত্যু হয়। এরপর নাতনি একা হয়ে যায়। সেই থেকেই মামারবাড়িতেই তাঁর আশ্রয়। এখান থেকেই স্কুলে যেত। বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে নাকি ইংরেজিতে লেখা একটি নোট লিখে গিয়েছিলেন, যেখানে লেখা ছিল যে সে কারও সঙ্গে নিজের ইচ্ছায় চলে যাচ্ছে। এদিকে শর্মিষ্ঠা সাধারণত স্কুলের পুলকারে যাতায়াত করলেও নিখোঁজের দিন দিদার কাছ থেকে একশো টাকা নিয়েছিল। বলেছিল, টোটো করে স্কুলে যাবে। এরপর তার মোবাইলটিও কিছুক্ষণ বাদে বন্ধ পাওয়া যায়। বিস্তর খোঁজখবর করে তদন্তকারীর জানতে পারেন যে ওই ছাত্রী প্রেমিকের সঙ্গে ঘর ছেড়েছে এবং বর্তমানে বিহারে রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘জমা জলে ভাসছে মৃতদেহ!’ কলকাতায় দুর্যোগ নিয়ে ফিরহাদকে তোপ শুভেন্দুর

আসলে তদন্তের মাধ্যমে জানা গিয়েছে দশম শ্রেণির ছাত্রী শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে নালন্দায় এক যুবকের সমাজমাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল। পরে ফোনালাপও হত তাদের। তাই সেই সূত্রে তদন্তকারীদের সন্দেহ হয় যে, নাবালিকা ওই যুবকের কাছেই রয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিহার রওনা দেয় তারা। দেখা যায়, অনুমান ঠিকই ছিল, দেখা যায় নালন্দায় একটি বাড়ির মধ্যে আটকে রাখা হয়েছিল স্কুলছাত্রীকে। গতকাল অর্থাৎ সোমবার তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ওই যুবকের খোঁজ এখনও মেলেনি। তাঁর সন্ধান চলছে। তদন্তের স্বার্থে মেয়েটিকে মঙ্গলবার চন্দননগর আদালতে হাজির করানো হবে। এদিকে তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বেশ খুশি শর্মিষ্ঠার পরিবার।

Leave a Comment