=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মায়ের জাতিতেই সন্তানের কাস্ট সার্টিফিকেট! বড়সড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

Supreme Court of India

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বড়সড় রায়ের পথে হাঁটল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court of India)। হ্যাঁ, এবার মায়ের তপশিলি জাতি পরিচয়ের ভিত্তিতেই মেয়েকে দেওয়া হবে এসসি সার্টিফিকেট। যদিও বাবার পরিচয় জাতিভুক্ত নয়। জানা যাচ্ছে, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই নির্দেশে উপকৃত হবে হাজার হাজার সন্তান। গত ২৮ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। আর মাদ্রাজ হাইকোর্টের আগের নির্দেশকে হস্তক্ষেপ না করে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, শুধুমাত্র বাবার পরিচয়ের উপর নির্ভর করে সন্তানের জাত নির্ধারণ করা বাধ্যতামূলক নয়।

বড়সড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত প্রশ্ন তোলেন, সময় বদলাচ্ছে। তাহলে মায়ের জাত পরিচয় কেন গণ্য করা হবে না? তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ভবিষ্যতের আইনি পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন। যদিও আদালত সরাসরি আইন পরিবর্তনের কথা এখনও পর্যন্ত বলেনি। কিন্তু এই রায় জাতির উত্তরাধিকার সংক্রান্ত ধারণাকে বদলে দেবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

বলাবাহুল্য, এই রায় দেওয়া হয়েছে পুদুচেরির এক মহিলার আবেদনের ভিত্তিতেই। ওই মহিলা তাঁর দুই মেয়ে এবং এক ছেলের অন্য তপশিলি জাতির শংসাপত্র চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তিনি নিজে আদি দ্রাবিড় সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। তিনি দাবি করেছিলেন, বিয়ের পরেও তিনি বাবার বাড়িতেই থাকবেন এবং সন্তানের সামাজিক বেড়ে ওঠাও মায়ের পরিবারের পরিবেশে। প্রথমে বিষয়টি মাদ্রাজ হাইকোর্টে যায়। তবে সেখানে সন্তানের ক্ষেত্রে মায়ের জাত পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আর পরে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখে।

এদিকে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, জাতি শংসাপত্র নিয়ে আইনি জটিলতা থাকলেও তার জন্য যেন কোনওভাবেই সন্তানের শিক্ষা বাধাগ্রস্ত না হয়। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েই দেখা হবে সবটা। এমনকি এতদিন পর্যন্ত সরকারের নীতি বা একাধিক সার্কুলার অনুযায়ী, বাবার জাত পরিচয়কে সন্তানের ক্ষেত্রে কার্যকর করা হত। তবে ২০১৩ সালের পুনীত রায় বনাম দীনেশ চৌধুরি মামলায় সুপ্রিম কোর্টও জানিয়েছিল যে, নির্দিষ্ট আইন না থাকলে বাবার পরিচয় অনুসরণ করতে হবে।

আরও পড়ুন: শুধু লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, এই প্রকল্পে মাসে ১০০০ টাকা পেনশন দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার! কীভাবে আবেদন?

আইন কি তাহলে বদলাচ্ছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায়ের ফলে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে তপশিলি জাতিভুক্ত কোনও মহিলা যদি উচ্চবর্ণের পুরুষকে বিয়ে করে এবং সন্তান মায়ের পরিবেশে বড় হয়, তাহলে মায়ের জাত পরিচয়ের ভিত্তিতেই তাকে এসসি সার্টিফিকেট দিতে হবে। যদিও অনুচ্ছেদ ৩৪১ এবং ৩৪২ অনুযায়ী চূড়ান্ত তালিকা রাষ্ট্রপতির নির্দেশে নির্ধারিত হয়।

Leave a Comment