=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

“আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি নিকৃষ্টতম”, প্রতারণার মামলা করবে বাংলাদেশ!

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কিছুদিন আগেই ভারত থেকে বাংলাদেশে (Bangladesh) কম বিদ্যুৎ সরবরাহের অভিযোগ উঠেছিল। ওপারের সংবাদমাধ্যম যুগান্তর দাবি করেছিল, ভারতীয় সংস্থা আদানি পাওয়ার নাকি বাংলাদেশে 427 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। এবার আদানি গোষ্ঠীর বিদ্যুৎ বকেয়া মেটাতে হিমশিম খাওয়া বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চুক্তি পর্যালোচনা জাতীয় কমিটি জানাল, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে যেসব চুক্তি হয়েছে সে গুলির মধ্যে আদানির সাথে হওয়ার চুক্তিই নাকি সবচেয়ে খারাপ। এই চুক্তির অধীনে নাকি প্রত্যেক বছর 5 থেকে 6 হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

 কেন ভারতীয় সংস্থাকে দোষ দিচ্ছে বাংলাদেশ?

হাসিনা জামানা শেষ হতেই বদলেছে বাংলাদেশের পরিস্থিতি। মহম্মদ ইউনূস সরকারের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লিগের আমলে হওয়া বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে বারবার অস্বস্তি প্রকাশ করেছে। এদিকে বিগত দিনগুলিতে পুরনো বকেয়া অর্থ পরিশোধ করে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের সরকারকে চাপ দিয়েছে আদানি। বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, সময়মতো ধীরে ধীরে বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দিচ্ছে তারা।

এরই মাঝে গত 20 জানুয়ারি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ উপদেষ্টার কাছে আওয়ামী লিগ জামানার পুরনো বিদ্যুৎ চুক্তিগুলির চূড়ান্ত পর্যালোচনা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলেই খবর। আর সেখানেই নাকি বলা হয়েছে, ভারতীয় সংস্থা আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ চুক্তি হচ্ছে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে হওয়া চুক্তি গুলির মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্টতম। পর্যালোচনা জাতীয় কমিটি নাকি এও দাবি করেছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ কোনও কারণে যদি আদানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষতি হয় সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুযায়ী তার দায় নিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম যেখানে 4 টাকা ইউনিট ছিল সেখানে বাংলাদেশের সাথে আদানি চুক্তি করেছিল 15 টাকা ইউনিটে।

ওই পর্যালোচনা কমিটির বক্তব্য, বাংলাদেশের সাথে অন্যায় করছে আদানি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে বাংলাদেশের থেকে কম করে 40 থেকে 50 শতাংশ বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে। এর জন্য প্রত্যেক বছর আদানি বাংলাদেশ থেকে 40 থেকে 50 কোটি ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় 5 থেকে 6 হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত তুলে নিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে, হাসিনা জামানায় হওয়া চুক্তি এবং সেখান থেকে আদানিকে বিদ্যুতের বকেয়া অর্থ দিতে গিয়ে একেবারে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

অবশ্যই পড়ুন: এই এক শর্তে বাংলাদেশকে T20 বিশ্বকাপে ফিরিয়ে আনতে পারে ICC

ভারতীয় সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

বাংলাদেশের পর্যালোচনা কমিটির সদস্য মোশতাক হোসেন খান জানিয়েছেন, “আদানির সাথে বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে যেসব তথ্য হাতে এসেছে তা থেকে আমরা সহজেই এই চুক্তি বাতিল করে ক্ষতিপূরণের দাবি করতে পারি। ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। তবে এই সবটাই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এখন যদি অন্তর্বর্তী সরকার এই কাজ না করতে পারে তবে পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকার নিশ্চয়ই এমনটা করতে পারবে। আদানির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলাও করতে পারি আমরা।”

Leave a Comment