বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বর্তমানে বিশ্বকাপ নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে ভক্তদের। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত উঠতে পারবে কিনা তা নির্ভর করছে আগামী 1 মার্চের ম্যাচের উপর। আর ঠিক সেই আবহে শোনা যাচ্ছে, নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ 26 মার্চ হবে না ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ! কয়েকটি ওয়েবসাইট সূত্রে খবর, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে পিছিয়ে যেতে পারে IPL (IPL 2026)। কয়েকটি ওয়েবসাইট এও দাবি করছে, কলকাতা নাইট রাইডার্স সহ একটি দলের কারণেই বিশেষ করে দুদিন পিছিয়ে যেতে পারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টি-টোয়েন্টি লিগ।
হঠাৎ কেন পিছিয়ে যাচ্ছে IPL?
চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে 8 মার্চ। এর 18 দিন পর অর্থাৎ 26 মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতো 31 মে। তবে এখন শোনা যাচ্ছে, বেশকিছু সমস্যার কারণে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ তার নির্ধারিত সময় থেকে দুদিন পিছিয়ে যেতে পারে। কোন কারণ? রিপোর্ট বলছে, মার্চ মাস থেকে এপ্রিলের মাঝে অর্থাৎ মে মাসের মধ্যে দেশের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গ সহ তামিলনাড়ু, অসম, পুদুচেরি এমনকি কেরলে নির্বাচন হওয়ার কথা এই সময়ের মধ্যেই।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, একেবারে ঘাড়ের কাছে নিশ্বাস ফেলছে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হবে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলটির। তাছাড়াও আগে পরে নির্বাচন হতে পারে তামিলনাড়ুতে। এর জেরে সমস্যায় পড়বে চেন্নাই সুপার কিংস। খুব সম্ভবত পাঁচ রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পিছিয়ে যেতে পারে IPL শুরুর তারিখ। আর এই ক্ষেত্রে বিশেষ করে দায়ী করা হচ্ছে KKR এবং চেন্নাই সুপার কিংস দলটিকে। বলা হচ্ছে, নির্বাচনের মাঝে ম্যাচ হলে এই দুই দল সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বে।
অবশ্যই পড়ুন: জড়িয়ে শতাব্দী প্রাচীন ইতিহাস, অমৃত ভারত প্রকল্পে চেহারা পাল্টাচ্ছে মুর্শিদাবাদের এই স্টেশনের
IPL শুরুর তারিখ ঠিক করা নিয়ে চিন্তায় BCCI!
পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুর নির্বাচন একেবারে এল বলে। যদিও কোনও রাজ্যেরই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি ভারতীয় ইলেকশন কমিশন। সেক্ষেত্রে নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট পর্বের নির্ঘণ্ট না দেখে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা করতে পারছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যদিও অনেকেই মনে করছেন, প্রাথমিকভাবে আলোচনার ভিত্তিতে দু একদিন পিছিয়ে IPL শুরুর তারিখ ঘোষণা করতে পারে বোর্ড। পরবর্তীতে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের নির্ঘণ্ট দেখে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে তারা। যদিও গোটা প্রক্রিয়াটি যথেষ্ট কঠিন বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।