=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চের সামনে বিক্ষোভ পার্শ্বশিক্ষকদের, বিজেপির কাছে যেতে বললেন মমতা

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রতিবাদে আজ ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ধরনা মঞ্চের সামনেই হঠাৎ করে তৈরি হয় উত্তেজনা। বেতন বৃদ্ধি এবং স্থায়ীকরণের দাবিতে কয়েকজন পার্শ্ব শিক্ষক প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। আর পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীকেই হস্তক্ষেপ করতে হয়। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।

ধরনা মঞ্চের সামনে বিক্ষোভ

আসলে শুক্রবার ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।রাজ্যের ভোটার তালিকা বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর এর প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সংসদ থেকে শুরু করে বিধায়ক আর রাজ্যের মন্ত্রীরা। এই সময় কয়েকজন পার্শ্ব শিক্ষক হঠাৎ করেই মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চের সামনে এসে নিজেদের দাবি জানিয়ে প্ল্যাকার্ড দেখাতে থাকেন আর বেতন বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দেন। তাদের আচমকা এই বিক্ষোভে কার্যত পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়।

তবে মঞ্চে বসেই বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি বলেন, “শান্ত হয়ে থাকুন। এখানে রাজনীতি করবেন না। বিজেপির কথায় মোটেও এসব করবেন না। যদি কিছু বলার থাকে তাহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কিংবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে গিয়েই বলুন।” এরপর তিনি পুলিশের উদ্দেশ্যে নির্দেশ দেন যাতে বিক্ষোভকারীদের শান্তভাবেই অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।

কেন বিক্ষোভে নামেন পার্শ্ব শিক্ষকরা?

আসলে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের পার্শ্ব শিক্ষকরা নিজেদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে আন্দোলন চালাচ্ছে। মূলত বেতন বৃদ্ধি, চাকরির স্থায়ীকরণের দাবিতে তারা আন্দোলন নেমেছেন। আর আদালতের নির্দেশে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিকাশভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভেও বসেছেন পার্শ্বশিক্ষকরা। এর পাশাপাশি বৃহস্পতিবার কালীঘাট অভিযানের ডাক দিয়েছিল শিক্ষক সংগঠনের ঐক্যমঞ্চ। সেদিন শিয়ালদা থেকে মিছিল শুরু হয়েও কলেজ স্ট্রিট এলাকায় পৌঁছনোর পর পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয়। আর তারপর সেখানেই শুরু হয় অবস্থান বিক্ষোভ।

আরও পড়ুন: অলির দুর্গে জয়, নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন ভারতবিরোধী র‍্যাপার! কে এই বলেন্দ্র শাহ?

আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের দাবি, ২০০৯ সালে তাদের আন্দোলনের মঞ্চে এসে স্থায়ীকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালে মন্ত্রিসভার বৈঠকেও ধাপে ধাপে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৫ বছর কেটে গেলেও সেই সমাধান হয়নি। আর ২০২৪ এর মার্চ মাসে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রস্তাব অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরে পার্শ্বশিক্ষকদের বেতন ২৮ হাজার টাকা এবং উচ্চ প্রাথমিক স্তরে ৩২ হাজার টাকা করার কথা হয়েছিল। তবে সেই দাবিও মান্যতা দেওয়া হয়নি।

Leave a Comment