=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

১২ হাজার কোটির সাম্রাজ্য রেখে বসতে হয়েছিল পথে! প্রয়াত রেমন্ডের প্রতিষ্ঠাতা বিজয়পত সিংহানিয়া

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের টেক্সটাইল জগতে এক যুগের অবসান। চলে গেলেন রেমন্ড গোষ্ঠীর (Raymond Group) প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রখ্যাত শিল্পপতি বিজয়পত সিংহানিয়া (Vijaypat Singhania)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। রবিবার দুপুর তিনটে নাগাদ মুম্বাইয়ের চন্দনওয়াড়ি শশানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর পুত্র তথা রেমন্ডের বর্তমান কর্ণধার গৌতম সিংহানিয়া এই খবর নিশ্চিত করেছেন। তাঁর জীবন ছিল যেন কোনও সিনেমার গল্পের মতো, যেখানে আকাশছোঁয়া সাফল্য, ঠিক তেমনই নিকট আত্মীয়দের কাছ থেকে পাওয়া চরম বিশ্বাসঘাতকতা।

শূন্য থেকে ১২ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য

উল্লেখ্য, ১৯২৫ সালে থানের একটি ছোট্ট উল মিল থেকে রেমান্ডের যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেখানে মূলত সেনার ইউনিফর্ম তৈরি হত। ১৯৮০ সালে বিজয়পথ সিংহানিয়া এই সংস্থার হাল ধরেছিলেন। তাঁর জহুরির চোখ যেন সেই ব্যবসার উপরেই পড়ে। তাঁর মাধ্যমেই রেমান্ড হয়ে ওঠে ভারতের ঘরে ঘরে পড়ে পরিচিত নাম। দ্য কমপ্লিট ম্যান ট্যাগলাইনে তিনি পুরুষদের ফ্যাশন দুনিয়ায় একেবারে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। আর মৃত্যুকালে তিনি প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য রেখে গিয়েছেন।

এদিকে সাফল্যের শিখরে থাকাকালীন সিংহানিয়া ২০১৫ সালে এক আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। নিজের তৈরি করা সমস্ত শেয়ার তিনি তাঁর ছেলে গৌতম সিংহানিয়ার নামে লিখে দেন। যার বাজার মূল্য তৎকালীন সময়ে ১০০০ কোটি টাকা। তিনি ভেবেছিলেন, হয়তো এতে তাঁর তৈরি করা সাম্রাজ্য আরও সুরক্ষিত হবে। কিন্তু সেটাই হয়ে গেল কাল। সেই একটি সই-ই তাঁর জীবনের সবথেকে বড় ভুল হিসেবে প্রমাণিত হয়।

বিজয়পথ সিংহানিয়া মুম্বাইয়ের মালাবার হিলসে তৈরি করেছিলেন বিলাসবহুল ৩৪ তলার জেকে হাউস। তবে সম্পত্তি হস্তান্তরের পরে সম্পূর্ণ চিত্রই বদলে যায়। তাঁর অভিযোগ, নিজের ছেলেই তাঁকে সেই বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন। এমনকি শুধু বাড়ি নয়, তাঁর গাড়ি, ড্রাইভার এমনকি চেয়ারম্যান এমিরাটস পদবী ব্যবহারের অধিকারটুকুও তাঁর কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। একসময় ১২ হাজার কোটির মালিককে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ভাড়া বাড়িতে কাটাতে হয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে বিজয়পথ সিংহানিয়া আক্ষেপ করে বলেছিলেন যে, আমার ছেলে আমাকে রাস্তায় দেখে খুশি হয়। আর ওকে সবকিছু লিখে দেওয়া ছিল আমার জীবনের সবথেকে বড় ভুল। বাবার প্রতি ছেলের এই দুর্ব্যবহারের খবর বারবার শিরোনামে এসেছে এবং তা যে ভারতীয় কর্পোরেট জগতের সবথেকে ট্র্যাজিক ঘটনা তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন: বাথরুমে পড়ে গিয়ে মৃত্যু পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাপ্রধানের

এদিকে ব্যবসায়ী পরিচয়ের বাইরেও বিজয়পথ সিংহানিয়া ছিলেন একজন দক্ষ পাইলট। জানা যাচ্ছে, তাঁর ৫০০০ ঘণ্টার বেশি বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল। আর ৬৭ বছর বয়সে হট এয়ার বেলুনে চড়ে সবথেকে উঁচুতে ওড়ার বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে কর্পোরেট জগতে যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

Leave a Comment