=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

দ্রুতগতিতে ধেয়ে আসা ট্রেনের ধাক্কা থেকে শিশুর প্রাণ বাঁচাল ‘গরু’? ভাইরাল ভিডিও

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ায় কখন কী ভাইরাল ভাইরাল (Viral Video) হয় তার কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টুইটার সব জায়গায় একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি চলন্ত ট্রেনের সামনে একটি বাচ্চা দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর ট্রেনটি যখন বাচ্চাটির কাছে চলে আসে, তখন একটি গরু আচমকা তার শিং এর গুঁতোয় শিশুটিকে বাঁচিয়ে নেয়, যা নিয়ে ধন্যি ধন্যি পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রত্যেকেই বলছে, বিপদের সময় গরুটি ভগবান রুপে নাকি শিশুটিকে উদ্ধার করেছে! তবে আদৌ কি এই ভিডিওর কোনও সত্যতা আছে? ভাইরাল এই ভিডিওর ফ্যাক্ট চেক করব আমরা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও

যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে, একটু শিশু যার বয়স খুব বেশি হলে তিন থেকে চার বছর হবে, সে রেললাইনের ধারে দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিপরীত দিক থেকে দ্রুত গতিতে ধেয়ে আসছে একটি এক্সপ্রেস ট্রেন। কার্যত শিশুটি যেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে, সেই অনুযায়ী ট্রেনটি তাকে ধাক্কা মারত। তবে ট্রেনটি যখন ওই শিশুটির ধারেকাছে চলে আসে, তখন আচমকা পাশ দিয়ে একটি গরু বেরিয়ে শিশুটিকে তার শিং দিয়ে ধাক্কা মেরে সাইডে ফেলে দেয় এবং শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায়। এমনকি ট্রেনটি যেমন যাচ্ছিল তেমনই চলে যায়।

জানুন আসল সত্যি

আসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও বা কোনও তথ্যের সত্যতা যাচাই না করেই সবাই শেয়ার করতে থাকে। যদি ওই ভিডিওটি ভালোভাবে লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাবো, যে এক্সপ্রেস ট্রেনটি আসছিল সেটির মাত্র দুই থেকে তিনটি কামরা। আচ্ছা আপনারাই বলুন, মাত্র দুই থেকে তিনটি কামরা নিয়ে কোনও এক্সপ্রেস ট্রেন চলে? সবথেকে বড় ব্যাপার, ট্রেনটির হুইসেল কেমন যেন মোবাইলে ভিডিও গেমের সাউন্ডের মতো। কোনও রিয়েল ট্রেনের সাথে সামঞ্জস্য নেই। সেই কারণে একাধিক ব্যবহারকারী বলছে যে, এটি এআই জেনারেটেড বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়েই বানানো।

আরও পড়ুন: ছোটাছুটির দিন শেষ, দুটি অ্যাপ আনল LIC, বিরাট সুবিধা হবে গ্রাহকদের

আর সবথেকে বড় ব্যাপার, অত জোর গতিতে ট্রেনটি ধেয়ে আসায় গরুটির মাথায় প্রায় ধাক্কা মেরেছিল ট্রেনটি। তবে গরুটির কোনও ক্ষতি হয়নি। এমনকি শিং দিয়ে শিশুটিকে সাইডে ফেলে দেয় সে। এতে কারোরই কোনও আঘাত লাগেনি। পাশাপাশি শিশুটি আঘাত পেয়েও কোনও কান্নাকাটিও করেনি। এছাড়াও যেই ব্যক্তি মোবাইল দিয়ে ভিডিও করছিলেন, তিনি ভিডিও না করে শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য যাননি? এমনকি শিশুটি যখন দুর্ঘটনার সম্মুখীন, তখন ভিডিও করা ব্যক্তির মুখ থেকে কোনও আওয়াজও বের হয়নি! এর থেকেই বোঝা যায় যে, ভিডিওটি AI দ্বারা নির্মিত।

আর সেই কারণে ভিডিওর সত্যতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তবে বেশ কিছু নেটিজেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে গরুটির প্রশংসা করে বলছে যে, প্রকৃত জননী এবং ভগবান হিসেবেই সে ওই শিশুটিকে রক্ষা করেছে। তবে আমাদের পক্ষ থেকে এই ভিডিওর কোনও সত্যতা যাচাই করা হয়নি।

Leave a Comment