প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: কম বেশি প্রায় সকলেই পশুপাখি বেশ পছন্দ করেন। তাদেরকে বাড়িতে রাখলে মন যেমন ভাল থাকে, ঠিক তেমনই আবার বাড়িতে একটা ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়। অনেকেই আবার পাখি ( Bird) পুষতেও বেশ ভালোবাসেন। তবে বাড়ির ছাদে অনেকসময় বিভিন্ন পাখি আসা-যাওয়া করে থাকে। এ ধরনের পাখি কখনো একা আসে তো আবার কখনো দল বেঁধে আসে। কিন্তু শাস্ত্র অনুযায়ী (Vastu Tips) এর পিছনে নাকি লুকিয়ে রয়েছে ভবিষ্যতের কোনও ইঙ্গিত? যা কখনও হয় সৌভাগ্যের। চলুন জেনে নেওয়া যাক বাড়িতে আসা কোন কোন পাখি সৌভাগ্যের প্রতীক।
পেঁচা
আধ্যাত্মিক মতে পেঁচাকে মা লক্ষ্মীর বাহন বলা হয়ে থাকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই পাখি বেশ শুভ বাড়ির জন্য। বাড়ির ছাদে অথবা বাড়ির বাগান বা উঠোনের প্রাঙ্গণে যদি পাখি বসে থাকে তাহলে সেটি চরম সৌভাগ্যের প্রতীক। জানা গিয়েছে, এমন অবস্থায় পেঁচার দেখা ইঙ্গিত দেয় যে দেবী লক্ষ্মী খুব শীঘ্রই আপনার বাড়িতে আগমন করতে চলেছেন। অর্থাৎ আপনার আর্থিক সংকট দূর হবে শীঘ্রই।
পায়রা
পায়রাকে বরাবর শান্তির প্রতীক বলা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে বাড়িতে যদি পায়রা ঝাঁক বেঁধে আসে তাহলে সেটি শান্তির প্রতীক। অন্যদিকে আবার বাড়িতে পায়রার বাসার গুরুত্ব সুখ সম্পদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যথেষ্ট। তবে পায়রার বাসা যদি ঘর গৃহস্থকে নোংরা করে তাহলে তা অশুভ ইঙ্গিত প্রদান করে।
আরও পড়ুন: আগুন লাগার পর আতঙ্ক নয়, প্রাণ বাঁচাতে মেনে চলুন এই বিশেষ জরুরি টিপস্
নীলকণ্ঠ
নীলকন্ঠ পাখিকে শিবের প্রতীক বলা হয়ে থাকে। বলা হয় দশমীর দিন বাপের বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে কয়েক দিন কাটিয়ে উমা যখন কৈলাসে ফিরে যান, তখন সেই বার্তা নাকি মহাদেবের কাছে পৌঁছে দেয় নীলকণ্ঠ পাখি। জানা গিয়েছে, এই পাখি ছাদে এলে তা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে বাড়ির দুর্ভোগ যেমন দূর হয় ঠিক তেমনি ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
ঘুঘু পাখি
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়িতে ঘুঘু পাখির বাসা থেকে মনে সৌভাগ্যের প্রতীক। সুতরাং বাড়িতে পাখি বাসা বাঁধলে কখনই তা ভেঙে দেওয়া উচিৎ নয়। অর্থ সংকট দূর হওয়ার পাশাপাশি জীবনের সমস্ত বাঁধা যেমন দূর হয় ঠিক তেমনই আবার সংসারের সমস্ত ঝামেলা দ্বন্দ্ব থেকে মুক্তি মেলে।