মহিলারা পাবে ১ লক্ষ টাকা, বাংলায় চালু হচ্ছে ‘ডাবল ইঞ্জিন’-র লাখপতি দিদি যোজনা

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সমস্ত সুবিধা পাবে পশ্চিমবঙ্গবাসী। রাজ্য এবং কেন্দ্র একই সরকার। সেই কারণে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই বলেছিলেন যে, কেন্দ্রের সমস্ত সুবিধা এবার রাজ্যের সাধারণ মানুষকে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই আয়ুষ্মান ভারত থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রকল্প কার্যকর হয়েছে রাজ্যে। এবার পালা লাখপতি দিদি যোজনার (Lakhpati Didi Yojana)। বিজেপি সরকারের অন্যতম জনদরদি একটি প্রকল্প এটি। যেখানে মহিলারা পান ১ লক্ষ টাকা সুবিধা।

বাংলায় চালু হচ্ছে লাখপতি দিদি যোজনা

কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। যার মূল লক্ষ্য হল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলাদেরকে আর্থিকভাবে সহায়তা করা, এবং তাদের কাজের সুযোগ ও বার্ষিক আয় বাড়ানো। এই প্রকল্পের আওতায় লক্ষ লক্ষ মহিলা সুবিধা পাচ্ছেন। দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও অত্যন্ত জনপ্রিয়তার সঙ্গেই চলছে এই প্রকল্প। এবার তারই সুবিধা পাবে বাংলা।

বলে রাখি, এই প্রকল্পের আওতায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে মহিলাদের কর্মসংস্থান এবং ছোট ব্যবসার জন্যই বার্ষিক ১ লক্ষ টাকা সাহায্য করা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। সবথেকে বড় ব্যাপার, গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলাদেরকে সুদমুক্ত ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়। এমনকি ঋণের উপরে দেওয়া হয় ভর্তুকি। এছাড়া এই প্রকল্পের আওতায় মহিলাদেরকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যাতে তাঁরা কর্মসংস্থানের সঙ্গে আরও ভালোভাবে যুক্ত হতে পারে, এবং মহিলাদের পণ্য বিক্রির জন্য দেশজুড়ে খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রও গড়ে তোলা হয়েছে।

কারা আবেদন করতে পারবেন?

এই প্রকল্পে শুধুমাত্র সেই সমস্ত মহিলারাই আবেদন করতে পারবেন যারা—

  • বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সের মধ্যে।
  • যে কোনও ছোট কিংবা মাঝারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে, এবং স্ব-কর্মসংস্থানে ইচ্ছুক থাকতে হবে।
  • অবশ্যই তাঁকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য হতে হবে এবং ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।

আরও পড়ুন: ছেলে বিধায়ক, বাবা এখনও চালান ছোট্ট চা-তেলেভাজার দোকান, চেনেন এনাকে?

তবে যারা এই প্রকল্পে আবেদন করতে ইচ্ছুক, তারা সরাসরি লাখপতি দিদি যোজনার অনলাইন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। সেখানে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি দরকার পড়বে। তবে হ্যাঁ, বাংলায় এই প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ার পরেই শুরু হবে আবেদন। এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

Leave a Comment